
বিচারহীনতা এবং ধর্ষণ ও হত্যার সংস্কৃতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ।
২০১৪ সালের ৫ মার্চ তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাঁদেরই টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে।

২০১৪ সালের ৫ মার্চ তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাঁদেরই টর্চারসেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে।

এ মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে ৭ জুন রায় দেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল।

২০১২ সালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থেকে আট বছরের শিশু মাহফুজকে অপহরণ ও হত্যার মামলায় পাঁচ আসামির দণ্ড ঘোষণা করেছেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক।

আসক বলেছে, প্রতিরোধযোগ্য রোগে শিশুদের মৃত্যু শুধু মানবিক বিপর্যয় নয়, এটি রাষ্ট্রীয় দায় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার রক্ষায় ব্যর্থতারও প্রশ্ন।

হাইকোর্টের রায়ে জন্মের আগে গর্ভের শিশুর লিঙ্গপরিচয় নির্ধারণ প্রক্রিয়া বৈষম্য ও জনসংখ্যা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণে ছয় মাসের মধ্যে ডাটাবেজ তৈরি ও হালনাগাদের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের প্রেক্ষিতে এ চর্চা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলা হয়েছে।

বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার এই আদেশ দেন।

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কোয়ালিশন ফর অ্যাডভান্সিং ইকুয়ালিটি অ্যান্ড জাস্টিস। কোয়ালিশন মনে করে, ঘটানাটি শিশু সুরক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও সামনে এনেছে।

পল্লবীতে শিশুহত্যার দ্রুত বিচার হওয়ায় আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীতে আট বছরের শিশুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনার অভাবকে প্রকাশ করছে বলে মন্তব্য করেন রুমিন ফারহানা।

গত মাসে (জানুয়ারি) এই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানা–পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়াসিন খন্দকার।

শুধু বিচার নয়, দ্রুত বিচার সবাই চায়। বছরের পর বছর বিচার বিলম্বিত হওয়ায় বিচারপ্রার্থীরা হতাশ। দ্রুত বিচার না করার ফলে আমাদের স্মৃতিতে থাকা কয়েকটি মামলায় বিচার আদালতে দণ্ডিত আসামিরা দিনের পর দিন কাটিয়ে দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ধর্ষণ, হত্যাসহ নারী–শিশু নির্যাতন এবং নৃশংস সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার যে ভয়াবহ চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা যারপরনাই উদ্বেগজনক।