
স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের খবরে সিইসির কপালে ভাঁজ
সিইসি নাসির উদ্দীন দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন।

সিইসি নাসির উদ্দীন দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সমঝোতার আহ্বান জানিয়েছেন।

কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবীর পোশাকে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক সহিংসতায় প্রতিকার চেয়েছেন। তিনি বলেন, শিশু-নারী-সংখ্যালঘুদের রেয়াত নেই, ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে কলকাতায় অবৈধ কারখানায় বুলডোজার চালিয়ে নতুন সরকার কঠোরতা দেখিয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হত্যা, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ না হওয়ায় প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, সেটি নিরসনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

গত জুনে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৯ জন নিহত হয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন, সরকার ও সব রাজনৈতিক দলের প্রতি নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে তাঁরা এ আহ্বান জানান।

গত বছর (২০২৫ সালে) সারা দেশে ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মণিপুর রাজ্যে আবার তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

নারীর অধিকার ও দৃশ্যমানতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একটি শক্তিশালী সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা ধীরে ধীরে একটি কাঠামোগত প্রতি–আঘাতে (ব্যাকল্যাশ) রূপ নিয়েছে।

ভোটারদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা। এবারের নির্বাচনে সহিংসতা তুলনামূলকভাবে কম হওয়া এবং ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতির হার সন্তোষজনক থাকা জন–আস্থার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।

মার্চে রাজনৈতিক সহিংসতায় ১৪ জন নিহত, যাদের মধ্যে ১০ জন বিএনপির। ফেব্রুয়ারির তুলনায় সহিংসতার ঘটনা তিন গুণ বেড়েছে। এমএসএফের প্রতিবেদনে নারী-শিশু নির্যাতন, কারাগারে মৃত্যুসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।