ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্ক জোরদারে আশাবাদ
সব স্তরে সম্পর্ক বজায় রেখে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় ইতিবাচক বার্তা এসেছে।
সব স্তরে সম্পর্ক বজায় রেখে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় ইতিবাচক বার্তা এসেছে।
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, নগর নিরাপত্তা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
চীনে দুই বিশ্বনেতার অভ্যর্থনায় বাহ্যিক মিল থাকলেও কিছু সূক্ষ্ম পার্থক্য ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সমর্থন জানিয়ে চীন আশা প্রকাশ করেছে, এই সরকারের আমলে ‘নতুন উচ্চতায়’ পৌঁছাবে ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা কখনোই শুধু এই দুই দেশের মধ্যেই সীমিত থাকে না। ইরানের ভেতরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে বহু মানুষের মৃত্যুর খবরের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের বক্তব্য আরও কঠোর হয়ে ওঠে।
এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।
চীনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফর করেছেন এবং সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। চীন তাঁকে নতুন চীনা নাম দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এ ঘটনা এখন ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চ শুল্কের কারণে চীন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল।
তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রির অভিযোগে ১০ মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প ইরান নিয়ে ধৈর্য হারানোর কথা বলেছেন। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখার বিষয়ে দুই নেতা একমত। এদিকে প্রণালিতে জাহাজ আক্রমণের ঘটনায় উত্তেজনা বাড়ছে।