ইরান যুদ্ধে কি মার্কিন আধিপত্যের অবসান ঘটতে চলেছে
লেবাননে যখন ইসরায়েলের বোমা ঝরছিল, তখনই বিশ্বের অনেক দেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল একটি খবরে।
লেবাননে যখন ইসরায়েলের বোমা ঝরছিল, তখনই বিশ্বের অনেক দেশ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল একটি খবরে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইরানে হামলায় যাওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের জন্য স্পেন আকাশসীমা বন্ধ করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্গারিতা রোবলেস ফার্নান্দেজ এটি নিশ্চিত করেন এবং যুদ্ধকে বেআইনি বলে অভিহিত করেন। এর ফলে ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানগুলোকে স্পেনের আকাশ এড়িয়ে লম্বা পথ গতি করতে হবে।
দ্রুত সম্প্রসারণশীল একটি নতুন বাজার থেকে এই গোয়েন্দা তথ্যগুলো আসছে।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
নাবিক ও ক্রুদের মধ্যে আত্মহত্যার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তাঁদের পরিবার ও সহকর্মীরা।
আজ শুক্রবার চুক্তি–পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ট্রাম্পের হুমকি, ইরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দিলে খুব শক্তিশালী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানত ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না, তবু ইসরায়েলের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়ায় বলে দাবি করেছেন সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা জো কেন্ট। হোয়াইট হাউস এই দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধবিরতি চললেও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম গত দুই দশকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের সব যুদ্ধকে সমর্থন করেছেন।
চীনের স্যাটেলাইট সাম্প্রতিক যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে শক্তিশালী সক্ষমতা দিয়েছে।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপে দেখা গেছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে সাধারণ মার্কিনরা হতাশ এবং নেতিবাচক। চারজনের মধ্যে তিনজনের বেশি স্থল সেনা পাঠানোর বিরোধী। যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।