আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে তোলা অদ্ভুত এই ছবির রহস্য কী
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ভেতরে তোলা একটি ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ভেতরে তোলা একটি ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে।
মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় স্থাপনা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন তার কার্যকালের প্রায় শেষ প্রান্তে চলে এসেছে।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে অসীম মহাশূন্যে ওড়ার পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান এবং সার্জন জন ম্যাকফল।
মহাকাশ স্টেশনে মানুষের কৃত্রিম ভ্রূণের মডেল পাঠিয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের ফাটল দিয়ে ভেতরে থাকা বাতাস আশঙ্কাজনকভাবে বেরিয়ে যাচ্ছে।
১৯৬১ সালের ১২ এপ্রিল ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশ জয় করেন। জাতিসংঘ এই দিনকে আন্তর্জাতিক মানুষের মহাকাশযান দিবস হিসেবে পালন করে। এর মাধ্যমে মহাকাশবিজ্ঞানের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে থাকা চার নভোচারীকে নির্ধারিত সময়ের আগে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে যাচ্ছে নাসা।
১৯৯১ সালের ৯ আগস্ট মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে প্রথম ই–মেইল পাঠানোর ঘটনাকে ঘিরে প্রযুক্তির বিকাশের নানা ধাপ তুলে ধরা হলো।
মহাকাশ মানেই রহস্য। সেই রহস্য উন্মোচনে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
‘বিশাল শূন্যতার মহাকাশ মাঝেমধ্যেই আমাদের অনেক ভাবনাকে বদলে দেয়।’
মহাকাশ থেকে আসা প্রচণ্ড শক্তিশালী সংকেত সম্প্রতি রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
আপনার নামের প্রথম অক্ষর যদি পৃথিবীর কোনো নদী, পাহাড় বা বনের আকৃতিতে ফুটে ওঠে তবে বিষয়টি কেমন হবে?