মহাকাশে নতুন প্রতিযোগিতায় লিপ্ত বিভিন্ন দেশ
বর্তমান মহাকাশ অভিযানের প্রতিযোগিতায় আগের চেয়ে অনেক বেশি দেশ যুক্ত হয়েছে।
বর্তমান মহাকাশ অভিযানের প্রতিযোগিতায় আগের চেয়ে অনেক বেশি দেশ যুক্ত হয়েছে।
হলিউডের সিনেমা ও কল্পবিজ্ঞানের গল্পগুলো আমাদের মনে মহাকাশ সম্পর্কে এমন কিছু অদ্ভুত ধারণার জন্ম দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।
গভীর মহাকাশে নিখুঁত জ্যামিতিক কাঠামোর সন্ধান পেয়েছে ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ইএসএ)।
মহাকাশ থেকে আসা প্রচণ্ড শক্তিশালী সংকেত সম্প্রতি রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।
নিজেদের তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট উৎক্ষেপণ করে মহাকাশ অভিযানে নতুন চমক দেখিয়েছে ইউরোপ।
মহাকাশ মানেই রহস্য। সেই রহস্য উন্মোচনে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।
মানবসভ্যতার স্মারক হিসেবে ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপের মাধ্যমে ১৩ লাখ ৫০ হাজার ১৪৪ জন মানুষের নাম মহাকাশে পাঠাচ্ছে নাসা।
১৯৬২ সালে মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো পারমাণবিক বিস্ফোরণ 'স্টারফিশ প্রাইম'-এর প্রভাব এবং এর ফলে আসা আন্তর্জাতিক চুক্তির বিস্তারিত।
পৃথিবী থেকে হাজার হাজার আলোকবর্ষ দূরে থাকা তেমনই এক দানবীয় গ্রহের সন্ধান পেয়েছে নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইট।
পৃথিবীর মাটিতে ডেটা সেন্টারের সংকট কাটাতে মহাকাশভিত্তিক কম্পিউটিং নেটওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্যে এক লাখ এআই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন স্টার্টআপ অরবিটাল।
সম্প্রতি মহাকাশে ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্বহীন তৃতীয় গ্যালাক্সির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
নাসা এমন এক প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে, যেটি মহাকাশে থাকা একটি মাত্র টার্মিনাল বা যন্ত্র ব্যবহার করেই একাধিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।