জন্মভূমির মুখোমুখি মরক্কোর ৬ ফুটবলার
ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামছে মরক্কো। এই ম্যাচে মরক্কোর স্কোয়াডে থাকা ছয়জন ফুটবলার লড়বেন তাদের জন্মভূমি ফ্রান্সের বিপক্ষে।
ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামছে মরক্কো। এই ম্যাচে মরক্কোর স্কোয়াডে থাকা ছয়জন ফুটবলার লড়বেন তাদের জন্মভূমি ফ্রান্সের বিপক্ষে।
ফিফার অনুমোদনে আইয়ুব বুয়াদ্দিকে দলে পেয়ে বিশ্বকাপের আগে বড় সাফল্য পেয়েছে মরক্কো।
গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে খেলতে নামছে এ, বি ও সি গ্রুপের ১২টি দল। এর মধ্যে মেক্সিকো ছাড়া দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হয়নি কারও। বাদ পড়ে গেছে শুধু হাইতি।
আফ্রিকার বিশ্বকাপ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পাঁচজন বিখ্যাত সমর্থক নিজ দেশের ফুটবলের অঘোষিত প্রতীক হয়ে উঠেছেন। লুমুম্বা থেকে মামা জয়, দোলমি, সেনেগালের কট্টর সমর্থক ও বোথা এমসিলা—তাঁদের গল্প এবার জানুন। আগামী বিশ্বকাপে তাঁরা থাকবেন কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
বিশ্বকাপে শেষ ৩২ রাউন্ডের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে মরক্কো।
বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো। দলে জায়গা হারিয়েছেন বেশ কজন তারকা ফুটবলার।
বোস্টনের জায়ান্ট স্ক্রিনে ‘থ্যাংক ইউ’—এই শেষবার্তার পরও গ্যালারির দুই প্রান্তে ছিল দুই ভিন্ন আবেগ। ২-০ ব্যবধানে ফ্রান্সের জয়, আর মরোক্কোর রূপকথা ঘুরে আসে কঠিন বাস্তবতায়।
মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে সেনেগালের হয়ে ৯৪তম মিনিটে গোল করেন পাপে গিয়ে। আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় এটি সেনেগালের দ্বিতীয় শিরোপা।
এই সিদ্ধান্তের ফলে মরক্কো দ্বিতীয়বার আফ্রিকার চ্যাম্পিয়ন হলো। ৫০ বছর আগে প্রথম শিরোপা জিতেছিল তাঁরা।
বিশ্বকাপে আজ শেষ ষোলোর ম্যাচটিতে গোলের দেখাই পায়নি এবারের আসরে সহ–আয়োজকেরা। বিপরীতে গোলমুখে চারটি শট নিয়ে তিনটিই কাজে লাগিয়েছে মরক্কো।
বিশ্বকাপে কোন দলকে সমর্থন করবেন—এ প্রশ্নে নোরার উত্তর পরিষ্কার। তাঁর সমর্থন থাকবে মরক্কোর প্রতি।
ফ্রান্সকে হারাতে কেউ কেউ আগের বিশ্বকাপের দলগুলোর দিকে ফিরে তাকাতে শুরু করেছেন। কেউ বলছেন, এই ফ্রান্সকে হারাতে পারে ২০০২ সালের ব্রাজিল কিংবা ২০১০ সালের স্পেন।