
বৃক্ষরোপণ ও সুরক্ষায় ৮ দফা প্রস্তাব
গাছের চারা রোপণ করে সেই চারা বড় গাছে পরিণত করা কঠিন কাজ। কত কঠিন কাজ, এটি কেবল যাঁরা গাছ রোপণ করার কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই জানেন।

গাছের চারা রোপণ করে সেই চারা বড় গাছে পরিণত করা কঠিন কাজ। কত কঠিন কাজ, এটি কেবল যাঁরা গাছ রোপণ করার কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরাই জানেন।

সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী অঙ্গীকার। এর বাস্তবায়নে বন বিভাগ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে, কিন্তু চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি, বিশেষজ্ঞ যোগদান ও সঠিক পরিচর্যা জরুরি। লেখক সরকারের সদিচ্ছাকে স্বাগত জানালেও অতীতের অনিয়মের কথা স্মরণ করিয়েছেন।

হবিগঞ্জের মাধবপুরের শিক্ষক মোস্তাক আহাম্মদ ২০১৮ সাল থেকে সাড়ে ছয় হাজার গাছ লাগিয়েছেন বিভিন্ন খালি জমিতে। তিনি নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করেন এবং স্থানীয়দেরও উৎসাহিত করছেন। এতে এলাকার পরিবেশ সবুজে ভরে উঠেছে।

সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা মহৎ হলেও বনবাসীদের অংশগ্রহণ ছাড়া সফলতা কি সম্ভব? অতীত প্রকল্পের ব্যর্থতা, নীতিমালার ত্রুটি ও বনবাসীদের প্রথাগত অধিকার নিয়ে এই মতামত। দেশীয় প্রজাতি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও গণসচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

সরকার ২৫ কোটি গাছ রোপণ করবে। সেই তালিকায় রাখা হচ্ছে মেহগনি, কদম, নিমসহ দেশীয় প্রজাতির গাছ।

নির্বাচনী ইশতেহারে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অঙ্গীকার করে বিএনপি। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেড় হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নিতে যাচ্ছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুধু পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নয়; সঠিক আন্তর্জাতিক কাঠামো অনুসরণ করলে এটি বাংলাদেশের জন্য নতুন এক সবুজ অর্থনীতির ভিত্তি হতে পারে।

খাল খননের বিষয়ে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখিয়ে যাওয়া পথ বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও অনুসরণ করছেন বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী।

১০ বছর বয়স থেকেই টিফিনের টাকা জমিয়ে চারা কিনতেন তিনি। প্রথমে এসব চারা নিজের বাড়িতে লাগাতেন। এতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গাছ লাগানোর জায়গা শেষ হয় তাঁর। এরপর প্রতিবেশীদের চারা কিনে দেওয়া শুরু করেন। এভাবে একে একে পুরো গ্রাম, উপজেলাজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় চারা বিলিয়েছেন তিনি।

অনেকেই ভাবেন, ‘একটা গাছ লাগালে কী হবে? কিন্তু বড় পরিবর্তন সব সময় একজন মানুষ থেকে শুরু হয়।