এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার
এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার
এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় সরকার
জ্বালানি তেলের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার।
গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব আমলে নিয়েছে বিইআরসি। পাইকারির সঙ্গে সমন্বয় করে আনুপাতিক হারে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোরও প্রস্তাব করেছে পিডিবি।
জামায়াত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ-মিছিল আয়োজন করে, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কর্তৃক বিদ্যুতের মূল্য গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিএসএমএ।
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও লালন আশ্রমে হামলার প্রতিবাদে ৭ জুন গণপ্রতিবাদের ডাক দিয়েছে গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি।
গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানো এবং বিদ্যুৎ বিলের ‘হিডেন চার্জ’ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। দাবি না মানলে পেট্রোবাংলা ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
গতকাল বুধবার পাইকারি ও খুচরা—দুই পর্যায়েই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এতে বাড়তি দামের চাপ পড়বে সব শ্রেণির গ্রাহকের ওপর; বাদ যাননি গ্রামের প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা।
বিদ্যুতের নতুন দাম প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ইস্পাত ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিএসএমএর নেতারা।
বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। পাশাপাশি গ্যাস সংকট, লোডশেডিং ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরেন তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, একরকম বৈরী পরিবেশেও বর্তমান সরকার কৃষক ও সাধারণ জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে জ্বালানি তেলের এবং বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করেনি বা বাড়ানো হয়নি।
নিম্ন আয়ের মানুষদের বাড়তি দাম থেকে রেহাই দিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।