পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাচ্ছে, কারণ কী
পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।
পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি কমে যাওয়ার বর্তমান হার গত ৩৬ লাখ বছরের ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে সম্পূর্ণ নজিরবিহীন।
পৃথিবীর দিকে প্রলয়ংকর সুপার এল নিনো ধেয়ে আসছে বলে সতর্ক করেছেন জলবায়ুবিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীদের মতে, ম্যান্টলের নিচে লুকিয়ে থাকা বিশাল এই কাঠামোগুলো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে আসছে।
পৃথিবীর এই চিরাচরিত ঋতুচক্রের ছন্দ ভেঙে গেছে। পৃথিবী এখন আর একক ব্যবস্থা হিসেবে নয়, বরং অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন টাইম জোনে বিভক্ত হয়ে পড়ছে।
চীনের বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা বিধ্বংসী গ্রহাণু মোকাবিলায় পারমাণবিক বিস্ফোরক ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছেন।
গতকাল শুক্রবার বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে।
ডিপ টাইম ট্রেইলের একটি লক্ষ্য হলো সিকার পয়েন্টকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজে পৌঁছানোর উপযোগী করে তোলা
অ্যান্টার্কটিকার রস দ্বীপে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটির নাম মাউন্ট ইরেবাস। এটি বিশ্বের একমাত্র আগ্নেয়গিরি, যা লাভা ও গ্যাসের সঙ্গে তরল বা সাধারণ ধূলিকণা নয়, খাঁটি সোনার ক্ষুদ্র স্ফটিক বা ক্রিস্টাল বাতাসে উগড়ে দিচ্ছে।
আলবিসেলেস্তের আকাশি নীল-সাদা রঙে ভেসে যাওয়া কানসাস সিটির রাতে মেসি হাঁটলেন—শান্তভাবে, যেভাবে কেবল তিনিই হাঁটতে পারেন।
১২ জুন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো যুদ্ধ শুরুর দিন নয়, কোনো সাম্রাজ্যের উত্থান বা পতনের দিনও নয়। তবু দিনটি মানবসভ্যতার স্মৃতিতে বিশেষভাবে খোদাই হয়ে আছে। ১৯২৯ সালের এই দিনে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে জন্ম নিয়েছিল অ্যান ফ্রাঙ্ক, যে পরে হয়ে ওঠে যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানবতার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।
সূর্য থেকে শক্তিশালী সৌর শিখা ও চার্জিত কণার মেঘ পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে। এর ফলে উত্তর গোলার্ধে বেতার বিঘ্ন এবং মেরুজ্যোতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
সে অনেক অনেক দিন আগের কথা। বলেই তিনি সামনে বহমান পদ্মার বিস্তৃত জলরাশির দিকে তাকালেন, নদীর ওপারের কালোগ্রামের ভেতরে ঢুকে যেন তিনি ছোটবেলার আম কুড়োনোর দিনের দিকে কিছুটা ঝুঁকে পড়লেন। বলে উঠলেন—তখন ছোট ছোট গ্রাম আর কিছুটা দূরে দূরে বিস্তীর্ণ জঙ্গল, সেই জঙ্গলে নানা কিসিমের পশুপাখির বাস ছিল।