ঈদের ছুটিতে ব্যবসা বেড়েছে হোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্রের
লম্বা ছুটি পাওয়ায় হোটেল, রিসোর্ট থেকে শুরু করে বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল দর্শনার্থী ও ভ্রমণপিপাসুদের বাড়তি ভিড়।
লম্বা ছুটি পাওয়ায় হোটেল, রিসোর্ট থেকে শুরু করে বিনোদনকেন্দ্রগুলোতে ছিল দর্শনার্থী ও ভ্রমণপিপাসুদের বাড়তি ভিড়।
সাদা বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট সুমাইয়া ইসলাম। বয়স মাত্র ছয় বছর। বড় বড় চোখ করে বাঘটির দিকে তাকিয়ে ছিল সে। হঠাৎ বাবার হাত চেপে ধরে প্রশ্ন করল, ‘বাবা, বাঘটা কি কামড় দেবে?’ মেয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে ফেললেন বাবা মুশফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘ভয় পেয়ো না। বাঘ খাঁচার ভেতরে আছে। কামড় দিতে পারবে না।’
ঈদুল আজহার ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। গত দুই দিনে অন্তত দুই লাখ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন।
বিকেলের আলো তখন ধীরে ধীরে নরম হয়ে আসছে। সমুদ্রের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে শত শত মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাঁটছেন সৈকতের পাড় ধরে।
বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে এখন পর্যটকের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ ২২ মার্চ থেকে আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ছয় দিনে সমুদ্রসৈকত ভ্রমণে এসেছেন অন্তত সাত লাখ পর্যটক।
পাথরঘাটা নদী, সাগর আর মানুষের সহাবস্থানে গড়ে ওঠা এক উপকূল। এর এক নিভৃত কোণে দীর্ঘদিন ধরে লুকিয়ে ছিল রুহিতা—নির্জন, অচেনা, অথচ অপার সৌন্দর্যে ভরপুর এক সৈকত।
গত দুই দিনের তুলনায় বান্দরবানে আজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। অন্তত ১০ হাজার আবাসিক ও অনাবাসিক ভ্রমণে এসেছেন।
ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটনকেন্দ্রিক ভালো ব্যবসার আশা হোটেল–রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র সংশ্লিষ্টদের। আগাম বুকিংয়ে ভালো সাড়া।
রেস্তোরাঁর টেবিল পাতা রয়েছে যেখানে তার অদূরেই সৈকতে ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। সেদিকে তাকিয়ে প্রশান্তিতে মন ভরে ওঠে রোজাদারদের।
রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়ি ঢলে সড়ক প্লাবিত হয়ে আটকে পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে ১৫০ জনকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
পাঁচ কিলোমিটার সৈকতজুড়ে পর্যটক একেবারে কম। পর্যটক না থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে সৈকতকেন্দ্রিক অন্তত তিন হাজার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। কয়েক শ ভ্রাম্যমাণ আলোকচিত্রী ক্যামেরা হাতে বসে আছেন, ৩৫টি ঘোড়া অলস দাঁড়িয়ে।
খুলনার দাকোপ উপজেলার একটি রিসোর্টের মালিক (পরিচালক) ও দুই পর্যটককে অপহরণ করেছে বনদস্যুরা। একটি ডিঙিনৌকা নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে ঘুরতে গিয়ে বনদস্যুদের কবলে পড়েন তাঁরা।