‘ইসলামি ন্যাটো’ কেন ইসরায়েলের রক্ষক হয়ে উঠল
ইসলামি ন্যাটোর আসল কাজ জায়নবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয়। এর মূল কাজ মুসলিম জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
ইসলামি ন্যাটোর আসল কাজ জায়নবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয়। এর মূল কাজ মুসলিম জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
২০২৫ সালজুড়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে ঘিরে ইউরোপীয় নেতাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—যুক্তরাষ্ট্রকে ইউরোপের নিরাপত্তাকাঠামো, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ন্যাটোর সঙ্গে যুক্ত রাখা।
ওয়াশিংটনের হুমকির কারণে ন্যাটোর একটি কেন্দ্রীয় মূলনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
হোয়াইট হাউস বলেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারা গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন।
ইউরোপজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনাকে আগ্রাসী যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (১ আগস্ট) পিয়ংইয়ং দাবি করেছে, ন্যাটো এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও তাদের প্রভাব বিস্তার ও যুদ্ধক্ষেত্র তৈরির চেষ্টা করছে।
ইরান যুদ্ধে ন্যাটো মিত্রদের সহযোগিতা না পেয়ে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ। ফ্রান্স ও ইতালি আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি, স্পেনও অটল। এতে মার্কিন প্রশাসন ও ইউরোপীয় মিত্রদের মধ্যে বিভাজন স্পষ্ট।
ইরানের সঙ্গে মার্কিন–ইসরায়েলি যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হওয়া এক অস্থির নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটল।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধের অচলাবস্থা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন বলে জানিয়েছেন ন্যাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া বেলারুশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চল ও ন্যাটোভুক্ত দেশে হামলার পরিকল্পনা করছে। তিনি এ বিষয়ে প্রমাণ সংগ্রহের কথাও জানিয়েছেন।
পোল্যান্ডের আকাশসীমায় রাশিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তের পর ন্যাটো জরুরি ভিত্তিতে যুদ্ধবিমানসহ সামরিক ব্যবস্থা মোতায়েন করে। পরে ক্ষেপণাস্ত্রটি বিস্ফোরিত হয়।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর হামলার হুমকির মুখে তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে তড়িঘড়ি উড়োজাহাজ পরিবর্তন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইউরোপের নেতারা যেন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। গত সপ্তাহে তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ বৈঠক থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদায় নেওয়ার পর সেই স্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।