নিরাপত্তাহীনতার এই চক্র ভাঙতে হবে
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ শুধু একটি ফেরিঘাট নয়; এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সংযোগ পথ।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ শুধু একটি ফেরিঘাট নয়; এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান সংযোগ পথ।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া নৌপথ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালী খোলা নাকি বন্ধ, তা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে। ইরানের দাবি বন্ধ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বলছে খোলা এবং চলাচল বাড়ছে। বিশ্ববাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ে বিভ্রান্তি চলছে।
ইরানের হামলার কারণে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গেছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত সহজ করতে নারায়ণগঞ্জে বরিশাল ও চাঁদপুরগামী যাত্রীদের জন্য বিকল্প নৌপথ চালু করেছে সরকার।
নোয়াখালীর হাতিয়া-চেয়ারম্যানঘাট নৌপথে ফেরি মহানন্দা ডুবোচরে আটকে পড়ে প্রায় চার ঘণ্টা, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রাজধানীর আমিনবাজার সেতুর গাবতলী অংশের পাশ দিয়ে বেড়িবাঁধ সড়ক গেছে আশুলিয়ার দিকে।
প্রতিকূল আবহাওয়ায় বান্দরবানের থানচি উপজেলার থানচি সদর থেকে তিন্দুমুখ পর্যন্ত নৌপথে চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। শনিবার (২৫ জুলাই) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়,
সুন্দরবনের ভেতর বাংলাদেশ-ভারত নৌপথে পাঁচটি জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা হয়েছে। ভারতগামী জাহাজগুলোর চারটি দ্রুতগতিতে চালিয়ে নিরাপদে যেতে পারলেও আক্রান্ত হয় এমভি আবদুল হাকিম-১ নামের একটি কার্গো জাহাজ।
কালবৈশাখীর কারণে আজ বুধবার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধের পর ফেরি, লঞ্চসহ নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। এর আগে সকাল সাতটার পর থেকে এই রুটে ফেরিসহ সব নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় ঘাট কর্তৃপক্ষ।
প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ও নাব্যতা বৃদ্ধিতে চিলমারী-রৌমারী নৌপথে বৃহস্পতিবার সকালে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। আপাতত সীমিতভাবে চলবে ফেরি, তবে ঈদুল আজহায় ২৪ ঘণ্টা চলাচলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে কুড়িগ্রাম, জামালপুরের যাত্রী-বাহনের যাতায়াত সহজ হবে।
এখন সড়ক ও সমুদ্র পথের চেয়ে আকাশপথে অনেক বেশি হজযাত্রীর আগমন ঘটে। অথচ ১০০ বছর আগেও হজ সফরের জন্য সড়ক ও নৌপথের ওপরই নির্ভর করতে হতো।