
আশুরার যাত্রা: ইহুদি সংস্কৃতি থেকে ইসলামের পথে
কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।

কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।

একজন মুসলমান ব্যবসা, কৃষি, শিল্প কিংবা যেকোনো পেশা নিতে পারবে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই প্রতারণা, সুদ, ঘুষ, বা হারাম পন্থায় সম্পদ অর্জন করতে পারবে না।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।

মানুষ যখনই আল্লাহর একত্ববাদ ও মৌলিক বিশ্বাস থেকে দূরে সরে গেছে, তখনই কোনো নবী এসে আবার সেই আদি ও অকৃত্রিম ইসলামের দিকে আহ্বান করেছেন।

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।

সলামে নতুন চাঁদ দেখা আল্লাহর কাছে কল্যাণ প্রার্থনার বিশেষ সুযোগ। মহানবী (সা.) আকাশে নতুন চাঁদ দেখলে উম্মতকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করতেন।

প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে, এখানকার বিশাল পাহাড় কেটে তৈরি করা চোখধাঁধানো কারুকার্য ও স্থাপত্যশৈলী আধুনিক যুগের মানুষকেও রীতিমতো অবাক করে দেয়।

জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।

তিনি অজ্ঞতার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘তারা যখন সমাধান জানত না, তখন জিজ্ঞেস করে কেন জেনে নিল না? কারণ, অজ্ঞতার প্রতিষেধক হলো প্রশ্ন করা।’

নবীজির শিক্ষাদানের একটি প্রধান মাধ্যম ছিল সরাসরি নিজে বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা দেওয়া। তিনি যখন কোনো কাজের আদেশ দিতেন, তা প্রথমে নিজে করে দেখাতেন।

উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।