বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনে বাঁধন, মেহজাবীন, সাফা কবির
বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বাঁধন, মেহজাবীন চৌধুরী, সাফা কবির ও তাসনিয়া ফারিণ
বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বাঁধন, মেহজাবীন চৌধুরী, সাফা কবির ও তাসনিয়া ফারিণ
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান জানিয়েছেন, পাহাড়ি সম্প্রদায়গুলোর নববর্ষ এখন ‘বৈসাবি’ নামে নয়, নিজস্ব নাম ও রীতিতে উদযাপিত হবে। বিজু, সাংগ্রাইসহ বিভিন্ন উৎসবের স্বকীয়তা রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ১২-১৪ এপ্রিল বর্ণাঢ্য আয়োজন শুরু হচ্ছে।
বিস্ফোরণের পর ‘লা কনস্টেলেশন’ রিসোর্টের বারে আগুন ধরে যায়।
ছায়ানটের এবারের এ আয়োজনের মূল ভাবনা ছিল ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
তিন হাজার বছরের ধারাবাহিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী পারস্য বা ইরানের ক্ষেত্রে নববর্ষ উদ্যাপন একইভাবে সর্বজনীন ও আনন্দমুখর।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনে মুক্তকণ্ঠ বৈশাখী উৎসব শুরু হয়েছে গানের সুরে। রাজধানীর শেফস্ টেবিল কোর্টসাইডে দিনব্যাপী লোকজ প্রদর্শনী, খেলাধুলা, প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলছে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসব বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
বিশেষ হয়ে উঠেছে দুই বাংলার দুই গুণী শিল্পীর উপস্থিতিতে। এ ধরনের আয়োজন শুধু গান শোনার নয়, এটি একে অন্যকে আরও ভালোভাবে জানার ও বোঝার সুন্দর সুযোগ।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ।
কিশোরগঞ্জে বস্তাদৌড়, দড়িটান, বেলুন ফুটানো, হাঁড়িভাঙা, হাঁস ধরাসহ দিনব্যাপী নানা খেলায় মেতে ছিলেন কৃষকেরা।
আমাদের দেশে সংস্কৃতির আধুনিক ধারণার উদয়ের একটা উপনিবেশি পরম্পরা আছে। প্রাগাধুনিক সমাজে ধর্ম, রীতি, দেশাচার, আর্যত্ব, তমদ্দুন, তাহজিব, রসম, রেওয়াজ ইত্যাদির ধারণা থাকলেও হালে সংস্কৃতির ধারণা অপেক্ষাকৃত নতুন।
তেমন একটা শীত পড়েনি। সাটিয়াজুরী স্টেশনে কোনো দারোগা জনাকয়েক বন্দুকধারী কনস্টেবল সঙ্গে নিয়ে ওয়ারেন্ট হাতে অপেক্ষায় দাঁড়িয়েও নেই।
ঝড় উঠুক, উঠুক অনিবার্য কোনো নিয়তির মতো বৈশাখের উন্মত্ত নিশ্বাসে ভেঙে যাক মানুষের অহংকারে গড়া দালান, ধূলিসাৎ হোক ইট-কাঠের সভ্যতার মিথ্যা গৌরব, আছড়ে পড়ুক বৃক্ষেরা—