নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে 'বিন্না ঘাস' ব্যবহারের আহ্বান পানিসম্পদমন্ত্রীর
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
নদীভাঙন ও ভূমিক্ষয় রোধে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব সমাধান হিসেবে বিন্না ঘাস রোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
বর্ষার পানি বাড়ায় তুলসীগঙ্গা নদীতে নৌভ্রমণ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। জয়পুরহাটের আক্কেলপুর ঘাট থেকে পাটুল ও চলনবিলের পথে নৌকায় চড়ে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরছেন ভ্রমণপিপাসুরা।
নির্মাণের ৯ বছরের মাথায় সেই সড়কের দেড় কিলোমিটার অংশের প্রায় ৯০ শতাংশই নদীগর্ভে চলে গেছে।
নদীতে পড়া বাসটি আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধার
জামালপুরের পাঁচটি উপজেলায় নদীভাঙন ও বন্যার তীব্রতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।
উৎসবের অতিথি বিশিষ্ট অভিনয়শিল্পী ফজলুর রহমান বাবু বলেন, ‘শীতের সকালে নদীর পাড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে এমন আয়োজন অত্যন্ত আনন্দময়।
নদীর জলে একটি কয়েন পড়ে। তারপর আরেকটি। তারপর আরও একটি। একটি পথশিশু জাহাজের প্রত্যেক মানুষের নামে মঙ্গল কামনা করে একে একে সেগুলো নদীতে নিক্ষেপ করছে। ‘মাস্তুল’ চলচ্চিত্রের এই দৃশ্য যতটা আবেগময়, তার চেয়েও বড় একটি প্রশ্ন রেখে যায়। মানুষ কেন হাজার বছর ধরে নদী, হ্রদ কিংবা ঝরনার জলে মূল্যবান কিছু নিক্ষেপ করে এসেছে?
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার প্রবহমান ধাইজান নদী। মাত্র পাঁচ বছর আগে প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে পুনঃখনন করা হয়েছিল নদীটি। অথচ এবার সরকারি কাগজপত্রে নদীটিকে খাল হিসেবে দেখিয়ে নতুন করে খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগ উঠেছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ইজিপিপি’ কর্মসূচির আওতায় ৩৯ লাখ
নদীভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েও দমে যায়নি কিশোরী মোসা. সুমাইয়া। দীর্ঘ বিরতির পর দৌলতখানের মদনপুর আলোর পাঠশালায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে নতুন করে পড়াশোনা শুরু করেছে সে।
নৌযানের বাড়তি চাহিদা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ব্র্যাক ব্যাংক নিয়ে এসেছে একটি সময়োপযোগী ও কৌশলগত লোন প্রোডাক্ট ‘তরঙ্গ’।
কপোতাক্ষ নদের পাড় ঘেঁষে কাশির হাটখোলায় ছোট্ট একটি মিষ্টির দোকান। কাচের বাক্সে সারি সারি সাজানো রসগোল্লা, চমচম, কালোজাম, গজা। সামনে আরেকটি বাক্সে পেঁয়াজু ও শিঙাড়া।
হামলাকারীরা প্রথমে আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখে। পরে সাইদুর রহমানকে নদীর পানিতে ফেলে বল্লম দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে।