জলাধার ও সবুজ এলাকা কমায় সংকটে খুলনা, বর্ষায় জলাবদ্ধতা, গ্রীষ্মে পানি ওঠে না
খুলনা নগরে ২৯৮টি জলাশয় ছিল। এর মধ্যে ৮০টির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ২৭টি জলাশয় আংশিক ভরাট হয়েছে। বাকিগুলো নাজুক হলেও কোনোমতে টিকে আছে।
খুলনা নগরে ২৯৮টি জলাশয় ছিল। এর মধ্যে ৮০টির অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ২৭টি জলাশয় আংশিক ভরাট হয়েছে। বাকিগুলো নাজুক হলেও কোনোমতে টিকে আছে।
শহরে শিক্ষার্থী পরিবহন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর জন্য অভিভাবকেরা সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন। এতে অভিভাবকদের যেমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, তেমনি রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়।
ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দুটি প্রধান ল্যান্ডফিল রয়েছে। এর একটি মাতুয়াইলে, অপরটি আমিনবাজারে অবস্থিত।
নিচে গাড়ির চাপে রাস্তা পার হতে না পেরে অনেকে সেতুটিতে উঠে আঁতকে ওঠেন। এর ওপর মাদকসেবীরা আড্ডা বসায়।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিযুক্ত হলেন। তাঁর কাছে ঢাকা নিয়ে প্রত্যাশা কী? ঢাকা নিয়ে কথা বলতে গেলেই যেন ঢাকা পড়ে যাই, মুক্ত থাকি না! ঢাকা পড়ে যাই সংকটে, বৈষম্যে, দূষণে-দুর্ভাবনায়-অস্থিরতায়, উদ্বেগে।
কয়েক দিন আগে ঢাকায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে যাচ্ছিলাম। ঢাকার এই সুন্দরতম ও প্রশস্ত রাস্তার ফুটপাতে যে নির্লিপ্ত বাণিজ্যিকীকরণ চোখের সামনে ঘটে গেছে, তাতে অনেক কিছু ভাবার আছে।
টেকসই নগরায়ণে রাজনৈতিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউইয়র্ক শহরটা আমার বরাবরই খুব প্রিয়। ওখানে গেলেই আমি স্বভাবতই পুরোনো বুকস্টোরগুলোর দিকে চলে যাই। বার্নস অ্যান্ড নোবেলের ঝকঝকে স্টোরগুলো থেকে ওই পুরোনো তাক, ধুলা জমা বই, মানুষের হাতের আঁকিবুঁকি লেখা মার্জিন নোট আমাকে বেশি টানে।
জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস ২০২৫’ অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মহানগর (৩.৬৬ কোটি মানুষ)।
বিশ্বে দ্রুত বড় হওয়া মহানগরের তালিকার শীর্ষে ঢাকা। বিশালত্বের চাপে নিচে পড়ে যাচ্ছে বাসযোগ্যতা।
‘সবুজ প্রকৃতি আর জালের মতো বিস্তৃত খাল-দিঘি মিলিয়ে অপার্থিব এক আবহ’—যে বরিশালের পরিচয় ছিল এমন রূপময়তায়, তা আজ ভরাট ও দখলের করালগ্রাসে ক্লান্ত এক কংক্রিটের নগরে পরিণত হতে চলেছে।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চল তো বটেই, নগরজীবনেও ক্রমবর্ধমান জনঘনত্ব ও পরিকল্পনাহীন নগরায়ণের ফলে শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত খেলার মাঠের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে।