বিজ্ঞান, দর্শন ও ওহি: কায়েনাত-পাঠের ত্রিমাত্রিক পদ্ধতি
ইসলামি অধিবিদ্যায় একটি গভীর দার্শনিক বিকল্প রয়েছে। যাকে বলে ‘তাজাল্লিয়াতুল হক’। এখানে বাস্তবতা কোনো স্থির বস্তু নয়, বরং সে সম্ভাবনার স্তর থেকে নির্দিষ্ট রূপে প্রকাশিত হয়।
ইসলামি অধিবিদ্যায় একটি গভীর দার্শনিক বিকল্প রয়েছে। যাকে বলে ‘তাজাল্লিয়াতুল হক’। এখানে বাস্তবতা কোনো স্থির বস্তু নয়, বরং সে সম্ভাবনার স্তর থেকে নির্দিষ্ট রূপে প্রকাশিত হয়।
ইসলামি অর্থনীতিতে সম্পদকে স্রেফ ব্যক্তিমালিকানাধীন বা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি মনে করা হয় না; বরং একে আল্লাহর দেওয়া একটি পবিত্র ‘আমানত’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বন ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল ক্রমেই সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় চিতাবিড়ালসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে। এতে তারা আহত হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রাণও হারাচ্ছে।
শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।
কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।
সাফল্যের সব জাগতিক সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠার পর মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন জাগে—‘এরপর কী?’ শুধু বিত্ত-বৈভব বা সামাজিক প্রতিপত্তি মানুষকে প্রকৃত সুখ দিতে পারে না।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে আখ্যা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী।
র্যাঁবো পড়ার আগের ও পরের মানুষ একেবারেই আলাদা। বিশেষ করে নরকে এক ঋতু পড়ার পর কবিতাকে মনে হবে গমগমে কোনো আগুনে অনুভূতি, যা আপনার শরীরের মাংসের স্তর ভেদ করে পৌঁছে যায় অনেক দূর পর্যন্ত।
প্রাণী অধিকারের মূল চাবিকাঠি হলো নিঃশর্ত দয়া, এবং কিছু বিশেষ প্রাণীর ক্ষেত্রে মর্যাদা। ইসলাম মানুষের জীবনে কিছু প্রাণীর গুরুত্বের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে।
ইবনুল জাওজি ছিলেন তাঁর যুগের প্রখ্যাত ওয়ায়েজ ও লেখক, যাঁর মজলিশে হাজারো মানুষ ইসলাম গ্রহণ করত। তাঁর জীবনে ছিল একের পর এক মর্মান্তিক পরীক্ষা, যেমন বন্যায় লাইব্রেরি ধ্বংস, সন্তান শোক ও নির্বাসন। তাঁর গ্রন্থ <em>সাইদুল খাতির</em>-এ বিপদ মোকাবিলায় ধৈর্যের অনন্য নীতি তুলে ধরেছেন।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে দুই দিনব্যাপী শাহ আবদুল করিম লোক উৎসবের উদ্বোধনী আলোচনায় গতকাল এসব কথা বলেন বক্তারা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতি ও নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে কট্টর ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদী নেতাদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা বা তাঁদের উত্থান নিশ্চিত করাই তাঁর লক্ষ্য।