ইউরোপের কঠোর কার্বননীতি, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ
উদ্বেগের বিষয় হলো, তৈরি পোশাক খাত সিবিএএমের আওতায় আসার আগেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় এরই মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।
উদ্বেগের বিষয় হলো, তৈরি পোশাক খাত সিবিএএমের আওতায় আসার আগেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় এরই মধ্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক বাজারে চীনের রপ্তানি ৫৩ শতাংশ কমলেও বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চে বাংলাদেশ ২০৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে। শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে শুধু ভিয়েতনামের রপ্তানি বেড়েছে।
ঈদুল ফিতর সামনে রেখে কেরানীগঞ্জের পোশাকপল্লির পাইকারি বাজারে বেচাকেনা জমে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা পোশাক কিনতে আসছেন।
বৈঠকে ঈদের আগে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার শ্রমিকদের মজুরিসহায়তা বাবদ দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থের ঋণসুবিধা দিতে গভর্নরকে চিঠি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশের ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকায়ন এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে উদ্দেশ্য নিয়ে বিজিএমইএ ও বিটিএমএ ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন’ (বিআইটিএমএ) আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে জিনস রপ্তানি শুরু হয় চার দশক আগে। বর্তমানে ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
এলপিপি এসএর ঢাকা কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা ও পুলিশি হয়রানির কারণে বাংলাদেশে ক্রয়াদেশ স্থগিত করেছে তারা। এতে বছরে প্রায় ৭০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২১৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি কমেছে চীনের। এই সময়ে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে।
বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক হলেও আমাদের টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের বৈশ্বিক নেতৃত্ব এখনো সীমিত।
ইইউ চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিভিন্ন দেশ থেকে ৭০৩ কোটি ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ১৫ শতাংশ কম।
রংপুরের চতরা গ্রামের আবু শাহিন মিয়া দিনমজুরি থেকে শুরু করে নিজ গ্রামে পোশাক কারখানা গড়ে তুলেছেন। কারখানায় ৩৬ নারী পায় কর্মসংস্থান, অনেক পরিবারের জীবন বদলে গেছে। আর্থিক সাহায্য চেয়ে আরও বড় করতে চান কারখানা।
রপ্তানিকারকেরা বলছেন, তৈরি পোশাকে মার্কিন তুলা ব্যবহারের সত্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কঠিন শর্ত আরোপ করা হলে তাতে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে।