ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ মশকনিধন অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ডিএনসিসি।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৫৩টি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডে চলতি বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত প্রতি শনিবার সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ৫৩টি ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন।
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর মৌসুমি ধারা বদলে গেছে, এখন বছরজুড়ে সংক্রমণের ঝুঁকি। ২০২৩-২০২৫ সালে লাখ লাখ আক্রান্ত ও হাজারের বেশি মৃত্যুর পর জাতীয় সমন্বয় কমিটি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সচেতনতা বাড়ানো দরকার।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাব্যয় কমাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজধানীর জিগাতলা ও যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালী খাল এলাকায় অভিযান চালিয়েছে নবগঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স।
এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকানোর এই ফাঁদের কাগুজে নাম ‘ডেন-এক্স ট্র্যাপ’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ বছর গবেষণার পর তৈরি হয়েছে এই ফাঁদ।
মশা নিধনে বর্তমান রাসায়নিকের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করে দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ২৯টি খাল পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল উদ্ধার জরুরি।
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত অপরাধীরা ছাড় পাবে না, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মশকনিধনে রাজনৈতিক দল ও নগরবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০০ ছুঁয়েছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এ উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। প্রতিদিন চিরদিনের জন্য বাহুর ওপর ঘুমিয়ে পড়া প্রাণাধিক সন্তানদের নিয়ে শূন্য বুকে হাহাকার করতে করতে মা-বাবা ঘরে ফিরছেন। প্রতিদিন সকালে দৈনিকে চোখ রাখার আগে চোখ বুজে প্রার্থনা করি যেন লেখা থাকে ‘আজ হামে কোনো শিশু মারা যায়নি’। কিন্তু না, এ মৃত্যুর মিছিল থামছেই না।
শুষ্ক মৌসুমে অস্বাভাবিক মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ বরিশাল নগরবাসী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১২টি জরুরি দল নিয়ে ক্র্যাশ কর্মসূচি শুরু করেছে সিটি করপোরেশন; চলছে ফগিং ও লার্ভিসাইড প্রয়োগ।