জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলায় রিমান্ডে আওয়ামী লীগ-স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা
জুলাই হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জুলাই হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জাতীয় সংসদে বলেছেন, ১৯৭১, ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনের ‘ট্রফি’ বিএনপির। জুলাই আন্দোলনের ‘ট্রফি’ লন্ডনে তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন ড. ইউনূস বলে অভিযোগ তুলে বিরোধীদের প্রহার করেন। বিরোধীরা অসত্য তথ্যের অভিযোগ করে এক্সপাঞ্জ দাবি করেছে।
রংপুরে জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলি চালানোকে যুক্তিসংগত বলে যিনি প্রতিবেদন দিয়েছিলেন, সেই ডিআইজি আবু বকর সিদ্দীক এখনো পুলিশে বহাল রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই-আগস্টে যে আন্দোলন হয়েছিল তা ছিল সম্পূর্ণভাবে জনগণের আন্দোলন এবং জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই তা সফল হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কামরুজ্জামান বাবু একটি কবিতা লিখেছেন।
গোদাগাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ কোনো দায়িত্ব নিতে চায়নি। ইউএনওর কাছে গিয়েছিলাম, তিনিও এড়িয়ে যাচ্ছেন। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’
২১ জুলাই আদতে কার? এমন প্রশ্নের উত্তরের খোঁজে এবার ‘জুলাই দখলের আন্দোলন’ শুরু হয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতায়। পুরো মাস নয়, মূলত ২১ জুলাইয়ের একটি বিশেষ দিন দখলের লড়াইয়ে নেমেছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এ দখল সাধারণ জনতার নয়। ময়দানে নেমেছে জাতীয় কংগ্রেস, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলে ফেসবুকে জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে আটক করে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রিন্সিপাল ইবরাহিম খাঁ একজন কীর্তিমান লেখক ছিলেন। বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে যাঁরা বড় ধরনের অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে তিনি একজন বিশাল ব্যক্তিত্ব।
সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম দাবি করেছেন যে, ক্ষমতার রাজনীতির কারণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট নতুন সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা ব্যাহত হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানিয়েছেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানা এলাকায় ছাত্র-জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) তালিকা করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এর পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তালিকাও হচ্ছে।