ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো বিশ্ব ফুটবল ‘পরিচালনার অযোগ্য’
২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে সমালোচকদের ধুয়ে দিয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এর প্রতিক্রিয়ায় কড়া বার্তাই পেলেন ফিফা সভাপতি।
২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে সমালোচকদের ধুয়ে দিয়েছিলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এর প্রতিক্রিয়ায় কড়া বার্তাই পেলেন ফিফা সভাপতি।
পরিকল্পনাটি ফাঁস হওয়ার পর গত ৩১ জুলাই বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) কাছে বিস্ফোরক বিবৃতিটি প্রকাশ করেন লামুর।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিতর্কিত পদক্ষেপের প্রতিবাদে তাঁরই তিনজন সহসভাপতি আলাদা ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছেন—এমন তথ্য জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সংবাদমাধ্যম।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি তুলেছে নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন (এনএফএফ)। লিসা ক্লাভনেসের বক্তব্যের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চান উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্দার সেফেরিন। তবে ফিফা সভাপতি পদে নির্বাচনে দাঁড়ানোর ইচ্ছে নেই সেফেরিনের।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে উয়েফা, কনক্যাকাফ ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনসহ প্রভাবশালী কয়েকটি কনফেডারেশন জোট গঠন করেছে। ‘গভর্ন্যান্স বয়কট’, বিকল্প প্রতিযোগিতা এবং জরুরি কাউন্সিল সভার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে।
বিশ্বকাপ কড়া নাড়ছে দরজায়। এর মধ্যে দুঃসংবাদ পেলেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফিফা এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন উয়েফার সাবেক সভাপতি মিশেল প্লাতিনি।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ইরান ফুটবল দলের সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রেই হবে তাদের বিশ্বকাপ ম্যাচ। ইরানের প্রস্তুতিতে ফিফার সমর্থন অব্যাহত থাকবে। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও সূচি পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা নেই।
নিজের ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ট্রাম্প লেখেন, ফিফা যদি কোনো কারণে প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা ভাবে, তাহলে সেটি হবে মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত।
আবার নির্বাচিত হলে থাকতে পারবেন ২০৩১ সাল পর্যন্ত। তবে ইনফান্তিনোকে আরও ৩০ বছর ফিফাপ্রধানের চেয়ারে দেখতে চান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকা ফুটবল কনফেডারেশন (কনমেবল)। তবে ইউরোপ থেকে ধেয়ে আসছে সমালোচনা।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পাশ থেকে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও (এফএ) সরে দাঁড়াচ্ছে। ইনফান্তিনোর জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।