গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে বিরোধী দল ও সরকারি দলের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ২০টির বিষয়ে এখনো একমত হতে পারেনি জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ২০টির বিষয়ে এখনো একমত হতে পারেনি জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত ‘গণভোটের প্রচার: নির্বাচন কমিশনের মস্ত বড় ভুল নির্দেশনা’ শীর্ষক কলামে ড. বদিউল আলম মজুমদার সম্প্রতি দাবি করেন, নির্বাচনের সাথে সম্পৃক্ত থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রেরিত ২৯ জানুয়ারির নির্দেশনাটি ‘সংশ্লিষ্ট আইনের ভুল পাঠের ভিত্তিতে জারি করা হয়েছে’।
আসিফ নজরুল বলেন, ‘আবার ফ্যাসিস্ট সরকার ফিরে আসুক, এই চিন্তা থেকে তো আমরা (আন্দোলন) করি নাই। আমরা করেছি একটা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন থেকে।’
গণভোটের পক্ষে প্রচারে অন্তর্বর্তী সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিলেও মাঠপর্যায়ে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, যদি গণভোট অবৈধ হয়, তাহলে বিএনপি সরকারও অবৈধ। এক মায়ের পেটে জন্ম নেওয়া দুই জমজ ভাইয়ের একজন যদি অবৈধ হয়, তাহলে আরেকজন কীভাবে বৈধ হয়? একইভাবে গণভোটকে অবৈধ বললে সেই প্রক্রিয়ায় গঠিত সরকারও বৈধ হতে পারে না। বৃহস্পতিবার (২৩
গণভোটের রায় নিয়ে সরকার ভুল পথে আছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির। এ পথ পরিহার করে গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বাংলাদেশ রাজনৈতিক সংকটে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মজলিসে শুরায় সাত দফা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে গণভোট, দ্রব্যমূল্য, স্থানীয় নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে।
জাতীয় সংসদ নির্ধারিত সময়ে অনুমোদন না করায় গণভোট অধ্যাদেশসহ অন্তর্বর্তী সরকারের ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারিয়েছে। শুক্রবার শেষ দিনে ২৪টি বিল পাস হয়েছে, সব মিলিয়ে ১১৩টি অধ্যাদেশ অনুমোদিত। এতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন বিতর্কের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের বিষয়ে আদালতের রায় দেখেই রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবে জামায়াতে ইসলামী।
সিএসআর তহবিলের টাকায় ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় গণভোট নিয়ে দুটি করে ব্যানার টাঙানো হবে। গতকাল ব্যাংকার্স বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর এ নিয়ে আলোচনা করেন।
জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকার ৫ বছরের মেয়াদ সম্পন্ন করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম।