কোরআনে ‘পিতা’ শব্দের ভাষাগত ব্যবহার
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;
‘আল-আব’ শব্দটি সন্তানের নিজের বাবা, দাদা এবং চাচা সবার ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু ‘ওয়ালিদ’ বলতে স্রেফ সন্তানের আপন জন্মদাতা পিতাকেই বোঝায়;
আরবরা ছিল জন্মগতভাবে ভাষা ও সাহিত্যের অনুরাগী। তারা দাবি করত, বিশুদ্ধ ও সুন্দর করে কথা বলা শুধু তাদেরই অধিকার। অবশিষ্ট বিশ্ব তাদের কাছে ছিল ‘আজম’ বা বোবা।
সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। এই আয়াতকে মহানবী (সা.) বলেছেন পবিত্র কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত।
কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।
অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?
কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, তবে যুক্তিশীল সুনির্দিষ্ট সীমা থাকা জরুরি। এআইকে টুল হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ফতোয়া প্রদানকারী হিসেবে গ্রহণ করা বিপজ্জনক।
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
বাংলা ভাষায় পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনের অবদান কেবল অনুবাদেই সীমাবদ্ধ ছিল না; হাদিস, সিরাত, ইসলামের ইতিহাস, সুফিবাদ ও ফারসি সাহিত্যের বহু গ্রন্থ অনুবাদ-সংকলন ও মৌলিক রচনার মধ্য দিয়ে তিনি উনিশ শতকের বাংলা জ্ঞানচর্চায় স্বতন্ত্র অধ্যায় তৈরি করেন।
কোরআনের এই ব্যাকরণিক যোগসূত্র প্রমাণ করে যে, সুরা ফিলের ঘটনা না ঘটলে সুরা কোরাইশের ‘নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সুবিধা’ (ই–ইলাফ)-র কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিই থাকে না।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত প্রাচীন কোরআনের একটি পৃষ্ঠা আবিষ্কারকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক একাডেমিক জগতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
আয়াতটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞান সংক্রান্ত আলোচনার সমাপ্তিতে এসেছে। এটি নির্দেশ করে যে মহাবিশ্বের সৃষ্টিশৈলী যারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারাই আল্লাহর মহিমা বুঝতে সক্ষম হন।