
জলাতঙ্কের রোগী বাড়ছে, কিন্তু কুকুরকে টিকাদান রয়েছে বন্ধ
ঢাকায় কুকুরের কামড়ে রোগী বাড়ছে, টিকাদান বন্ধ থাকায় জলাতঙ্কের ঝুঁকিও বাড়ছে।

ঢাকায় কুকুরের কামড়ে রোগী বাড়ছে, টিকাদান বন্ধ থাকায় জলাতঙ্কের ঝুঁকিও বাড়ছে।

ময়নাতদন্ত ও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুকুরটি জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত ছিল। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক জানান, কুকুরটিকে ইচ্ছাকৃত কুমিরের মুখে দেওয়ার কোনো প্রমাণ পায়নি তদন্ত কমিটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এই ভিডিও ও ছবি দেখে হৃদয় কেঁদেছে প্রাণিপ্রেমীদের। কারও ধারণা, কুকুরটাকে ইচ্ছাকৃতভাবে কুমিরের সামনে দেওয়া হয়েছে।

বাগেরহাটের হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারের দিঘিতে কুমির কুকুর টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কুকুরটির মৃতদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জলাতঙ্ক রোগ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে চলছে বিতর্ক।

বাগেরহাটের খানজাহান মাজারের দিঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের পতন দেখে তারকারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জয়া আহসান লিখেছেন, ‘বোকা কুকুর!’ ইরফান সাজ্জাদ বলেছেন, দেশের মানুষ খারাপ। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিলয় আলমগীর।

বাগেরহাটের খানজাহান আলীর মাজারের পুকুরে কুমিরকে খাওয়ানোর জন্য একটি কুকুরকে বেঁধে রেখে ভিডিও করে ভাইরাল করেছে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। এতে কুকুরটি মৃত্যুর মুখে পড়ে এবং কুমিরটি মানুষের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠেছে। সমাজের এই পৈশাচিক মানসিকতার প্রতি কঠোর নিন্দা ও শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বাগেরহাটের হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারের দিঘিতে কুমিরের কুকুর ধরে নেওয়ার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই। আসলে অসুস্থ কুকুর লোকেদের আক্রমণ করে নিজেই পানিতে পড়ে যায়, কুমির তা ধরে নিয়ে যায়। মাজার কর্মকর্তাদের বক্তব্যে মিথ্যা গল্পের খণ্ডন করা হয়েছে।

চীনে এক নারী ছয় মাসের স্যাময়েড কুকুরছানাকে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করে ১২ হাজার ইউয়ান (২ লাখ টাকার বেশি) খরচ করেছেন। এখানে প্রশিক্ষণ, সামাজিককরণ ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুবিধা রয়েছে। চীনে পোষা প্রাণী শিল্প দ্রুত বাড়ছে।

সুনামগঞ্জের বড়পাড়ায় উঁচু সীমানাপ্রাচীরে আটকে পড়া কুকুরকে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে আটটায় ঘটনা ঘটে। ওসি রতন শেখের নেতৃত্বে তিন দিনের অসহায়তা থেকে প্রাণীটি মুক্তি পায়।

৯ বছর পর ফিরলেও সালিও নিজের চেনা পথ ভোলেনি। কেলি জানান, ফেরার পথে সালিওই তাঁকে পথ দেখিয়ে নিয়ে গেছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষণাগারের কর্মকর্তা মো. সালাহউদ্দীন মামুন ঈদের এই ছুটিতে প্রতিদিন দুই শর বেশি অভুক্ত কুকুর-বিড়ালকে খাবার দিচ্ছেন।

রাজধানীতে কুকুর নিধন ও অপসারণ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।