আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন মাকামে ইব্রাহিম
একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।
একটি শক্ত জড়বস্তুর প্রয়োজনানুসারে উঁচু-নিচু হওয়া ও কাদামাটির মতো নরম হয়ে নিজের মধ্যে পদচিহ্ন গ্রহণ করা আল্লাহ-তাআলার কুদরতের অনন্য নিদর্শন।
প্রেমময় এই হজ মুমিনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন। একজন মুমিন সারাজীবন পবিত্র কাবার সান্নিধ্য পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে যায়।
দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।
হজের সফরে বাহ্যিক ও আত্মিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকওয়া ও ইবাদতের সঠিক জ্ঞান থাকলে হজ মাবরুর হয় এবং জীবন বদলে যায়। হজ প্রশিক্ষক গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী দিচ্ছেন পরামর্শ।
মক্কা শরীফের ইতিহাসে নির্বাসন, বিদ্রোহ, বাণিজ্য ও রূপান্তরের অধ্যায় রয়েছে। জুরহুম থেকে কোরাইশ, জমজম কূপ, হিলফুল ফুজুল, হারামের নিরাপত্তা সহ অজানা ১০টি তথ্য এখানে। ইতিহাসের এই পাতাগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টান্ত বহন করে।
নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।
পবিত্র মক্কা মুকাররমার হারাম শরিফের কেন্দ্রস্থল কাবা শরিফসহ হাতিম, হাজরে আসওয়াদ, জমজম কূপ, সাফা-মারওয়া, আরাফাত, মিনা ও জামারাতসহ ফজিলতপূর্ণ স্থানগুলোর বিবরণ। এসব স্থান হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ইসলামি ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন। ইসলামি বর্ণনা অনুসারে এগুলোর ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।
২৪ হিজরিতে খলিফা ওসমান (রা.)-এর আমলে বছরে দুবার কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তনের রীতি শুরু হয়, যার একটি ছিল রমজানের ২৭ তারিখে।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।