
পবিত্র কাবা: পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে আল্লাহর ঘর
আল্লাহর ঘরকে ‘বায়তুল আতিক’ বা প্রাচীন ঘরও বলা হয়। ভৌগোলিক মানচিত্র অনুযায়ী এই ঘরের অবস্থান পৃথিবীর কেন্দ্রে। কাবার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ।

আল্লাহর ঘরকে ‘বায়তুল আতিক’ বা প্রাচীন ঘরও বলা হয়। ভৌগোলিক মানচিত্র অনুযায়ী এই ঘরের অবস্থান পৃথিবীর কেন্দ্রে। কাবার ইতিহাসে জড়িয়ে আছে ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ।

মক্কা শরীফের ইতিহাসে নির্বাসন, বিদ্রোহ, বাণিজ্য ও রূপান্তরের অধ্যায় রয়েছে। জুরহুম থেকে কোরাইশ, জমজম কূপ, হিলফুল ফুজুল, হারামের নিরাপত্তা সহ অজানা ১০টি তথ্য এখানে। ইতিহাসের এই পাতাগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টান্ত বহন করে।

২৪ হিজরিতে খলিফা ওসমান (রা.)-এর আমলে বছরে দুবার কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তনের রীতি শুরু হয়, যার একটি ছিল রমজানের ২৭ তারিখে।

কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।

দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।

অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।

কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।

আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।