মক্কা-মদিনার ১৬টি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
মক্কা ও মদিনার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থানের তালিকা। হজযাত্রীরা এসব ঐতিহাসিক স্থানে জিয়ারত করেন। ইসলামের ইতিহাসে এসব স্থানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
তাওয়াফ শুরুর আগে পুরুষদের ইহরামের পোশাকে বিশেষ পরিবর্তন আনতে হয়। ইহরামের ওপরের অংশ বা চাদরটি ডান বগলের নিচ দিয়ে এনে বাঁ কাঁধের ওপর রাখতে হয়।
দীর্ঘ ১৭ মাস বায়তুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ এলে, বিরোধী পক্ষ থেকে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়।
অত্যাচারে জর্জরিত হয়ে তিনি আল্লাহর নির্দেশে জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করে যাওয়ার সময় বারবার মক্কার দিকে তাকাচ্ছিলেন।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।
আরাফাতের ময়দানে দিনভর দোয়া, কান্না আর মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের পর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছিল মুজদালিফার পথে যাত্রা।
হজের সফরে বাহ্যিক ও আত্মিক প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকওয়া ও ইবাদতের সঠিক জ্ঞান থাকলে হজ মাবরুর হয় এবং জীবন বদলে যায়। হজ প্রশিক্ষক গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী দিচ্ছেন পরামর্শ।
মক্কা শরীফের ইতিহাসে নির্বাসন, বিদ্রোহ, বাণিজ্য ও রূপান্তরের অধ্যায় রয়েছে। জুরহুম থেকে কোরাইশ, জমজম কূপ, হিলফুল ফুজুল, হারামের নিরাপত্তা সহ অজানা ১০টি তথ্য এখানে। ইতিহাসের এই পাতাগুলো ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টান্ত বহন করে।
কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী, দুই পবিত্র মসজিদে প্রতি রাতে তারাবির নামাজ ১০ রাকাত এবং এরপর ৩ রাকাত বিতর নামাজ পড়ানো হবে।
নবম হিজরির সিদ্দিকি হজ ছিল দশম হিজরির বিদায় হজের এক অপরিহার্য প্রস্তুতি। এই হজের মাধ্যমে কাবা শরিফকে শিরক ও জাহেলি আচার থেকে মুক্ত করা হয় এবং হজের বিধানাবলি ঘোষণা করা হয়।
পবিত্র মক্কা মুকাররমার হারাম শরিফের কেন্দ্রস্থল কাবা শরিফসহ হাতিম, হাজরে আসওয়াদ, জমজম কূপ, সাফা-মারওয়া, আরাফাত, মিনা ও জামারাতসহ ফজিলতপূর্ণ স্থানগুলোর বিবরণ। এসব স্থান হজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং ইসলামি ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন। ইসলামি বর্ণনা অনুসারে এগুলোর ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়েছে।
২৪ হিজরিতে খলিফা ওসমান (রা.)-এর আমলে বছরে দুবার কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তনের রীতি শুরু হয়, যার একটি ছিল রমজানের ২৭ তারিখে।