অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দেবেন কীভাবে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এখন পর্যন্ত ৩৯ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, এখন পর্যন্ত ৩৯ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দিয়েছেন।
বেতন-ভাতা, ভাড়া, কৃষি, ব্যবসা, মূলধনি আয়, আর্থিক পরিসম্পদ ও অন্যান্য— এই সাতটি খাতের সঠিক বিন্যাসে রিটার্ন দাখিল না করলে করদাতার জরিমানা ও জটিলতা বাড়তে পারে।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিলে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা প্রদেয় করের ওপর সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর রেয়াত পাবেন বলে জানিয়েছে এনবিআর।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) করদাতাদের ভোগান্তি কমাতে ও আয়কর প্রক্রিয়া সহজ করতে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন (ই-রিটার্ন) জমার ব্যবস্থা চালু করেছে। এখন আর দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে বা কর অঞ্চলে না গিয়েই ঘরে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য সঠিক
করসেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন অনলাইনে জমার সুবিধা চালু করেছে।
এ বছর এক লাখ করদাতার আয়কর রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করেছে এনবিআর। আয়কর নিরীক্ষা কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়, এটি কর প্রশাসনের স্বাভাবিক যাচাইপ্রক্রিয়া।
তারল্যসংকটের কারণে কিছু ব্যাংকে করদাতার আমানত ফেরত বা সুদ পরিশোধ আটকে থাকে—এমন অবস্থায় কাগজে অর্জিত দেখানো সুদের ওপর কর আরোপের ন্যায়সংগততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এনবিআর বলছে, কর্মকর্তা–কর্মচারী কর নথি নিয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন না। নিরীক্ষার জন্য নথি নির্বাচিত হলে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে করদাতাকে জানানো হয়।
বাজেট ঘোষণার পর করদাতাসহ সাধারণ নাগরিকেরা চিন্তা করেন, এই বাজেট তাঁর খরচ কতটা বাড়াবে, কতটা কমাবে। কোন কোন জিনিসের দাম বাড়বে, কোনটির কমবে—এসবের হিসাব–নিকাশে বসে যান অনেকে।
আগামী ১ জুলাই থেকে অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যাবে। এখন থেকে সারা বছর রিটার্ন দেওয়া যাবে। আগে দিলে বেশি করছাড় পাবেন করদাতারা।
জাতীয় সংসদে আজ সোমবার অর্থমন্ত্রী অর্থ বিল সংশোধনের যে প্রস্তাব করেছেন তাতে ব্যক্তি করদাতাদের লভ্যাংশ আয়ের ওপর করহার কমিয়ে ১৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাবে—অর্থনৈতিক অংশীজনদের দীর্ঘদিনের দাবি এটিই। একটি দীর্ঘমেয়াদি ও অনুমানযোগ্য করব্যবস্থা না থাকায় অতীতে প্রায় প্রতিটি বাজেট সামনে রেখে করদাতাদের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়।