
হরমুজ প্রণালি খুলতে বড় কিছু ছাড় দিতে হচ্ছে ট্রাম্পকে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর মার্চে জ্বালানি সংকটের মুখে পড়লেও এপ্রিল-মে সরবরাহ বেড়েছে। বিপিসি জানায়, দেশে বড় সংকট নেই, আরও ১০টি জাহাজ আসছে। মজুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য সংস্কার দরকার।

ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর সঙ্গে বৈঠক করতে বেইজিং যাচ্ছেন, যদিও তাঁর অবস্থান দুর্বল। ইরান সংকট ও তাইওয়ান ইস্যু কেন্দ্রীয় আলোচ্য, যেখানে চীন সুবিধাজনক অবস্থানে। বিশ্লেষণে ট্রাম্পের কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ইরান যুদ্ধে শান্তি আলোচনার অনিশ্চয়তায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল ১০৪.৫০ ডলারে পৌঁছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা স্থবির হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উদ্বেগ বেড়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানত ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বানাচ্ছে না, তবু ইসরায়েলের মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়ায় বলে দাবি করেছেন সাবেক সন্ত্রাসবাদবিরোধী কর্মকর্তা জো কেন্ট। হোয়াইট হাউস এই দাবিকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। যুদ্ধবিরতি চললেও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে।

ইরানের তেলকে কেন্দ্র করে গল্পের শেষ নেই। তেল শুধু জ্বালানি নয়; বরং তা কোম্পানি, রাষ্ট্র, সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, কূটনীতি, মুনাফা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের ক্ষমতারও গল্প।

বিশ্বব্যাংক আরও বলছে, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশের গড় মূল্যস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে।

প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তৈরি হওয়া তেলসংকট জীবাশ্ম জ্বালানিশিল্পকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।

দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো।

ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে তেলের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির জেরে অনেক দেশ তেলের মূল্য বৃদ্ধি করে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি সরবরাহে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি কাটেনি। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে ধারাবাহিকভাবে তেলবাহী জাহাজ আসছে দেশে। চলতি এপ্রিল মাসের ২০ দিনে এখন পর্যন্ত ডিজেল, অকটেন, জেট ফুয়েল ও ফার্নেস তেল নিয়ে ১২টি জাহাজ এসেছে। এতে মজুত কিছুটা বেড়েছে।