ইউক্রেনের হয়ে সেনাদের বদলে লড়ছে রোবট, রাশিয়ার কি চাপ বাড়ল
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রোবট এবং ড্রোন ব্যবহারের ফলে যুদ্ধের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রোবট এবং ড্রোন ব্যবহারের ফলে যুদ্ধের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল সম্মেলনে পৌঁছে ট্রাম্প ইউক্রেন বিষয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘জি–৭ বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে হয়তো আমরা কিছু একটা করতে পারি।’
গত এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দেন যেন ২০২৬ সালের মধ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে অন্তত ৫০ হাজার চালকবিহীন স্থলযান নামানো হয়। সৈন্যদের মূল্যবান জীবন বাঁচানোর জন্য একে তিনি প্রযুক্তির ‘পরবর্তী বড় পদক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছেন।
জ্বালানিসংকটের কথা রোববার প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া এক রাতে রেকর্ডসংখ্যক ৬৫৬টি ড্রোন ও ৭৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহর কলিমেনকো জানিয়েছেন, এক ব্যক্তি রাস্তায় নেমে লোকজনের ওপর গুলি চালাতে থাকেন।
ইরানে এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়া অন্তত ৪৮০টি ড্রোন এবং ২৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
মূলত এই জালগুলো ড্রোনের প্রপেলার বা পাখা আটকে দেয়। ফলে ড্রোনগুলো মূল্যবান সামরিক সরঞ্জাম, সেনাসদস্য বা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই অকার্যকর হয়ে পড়ে।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নাম ইউক্রেনের রাষ্ট্রসমর্থিত মিরোতভোরেৎস ওয়েবসাইটের তথাকথিত ‘কিল লিস্ট’ বা ‘হত্যা তালিকা’য় যুক্ত করা হয়েছে।
যুদ্ধে এবারই প্রথম ইউক্রেন কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।