গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে প্রচার করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব: আলী রীয়াজ
গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে প্রচারণা চালানো সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে প্রচারণা চালানো সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
ময়মনসিংহে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কর্মকর্তা-প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন আলী রীয়াজ।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেছেন, ‘গণভোট হচ্ছে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে, তার পথরেখা নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া। আসুন, সকলে মিলে এই সুযোগ গ্রহণ করি।’
গণভোটের আগে জুলাই সনদে প্রস্তাবিত বিষয় নিয়ে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদার) আলী রিয়াজ।
আলী রীয়াজ প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা)। যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড অধ্যাপক।
অনিবার্য কিন্তু অভাবনীয় একটি ঘটনা ঘটেছিল আজ থেকে দুই বছর আগে, ৫ আগস্ট ২০২৪—স্বৈরাচারী শাসক শেখ হাসিনার পতন এবং পলায়ন। প্রায় ১৬ বছর ধরে নিপীড়ন–নির্যাতনের শিকার বাংলাদেশের মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রকাশ ঘটেছিল এর আগের ৩৫ দিনের আন্দোলনে।
গণভোট নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।
১০ মে ২০২৬ তারিখে মুক্তকণ্ঠতে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোট ও রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরেছেন।
‘বাংলাদেশের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতেহার’ শীর্ষক এই গবেষণা প্রকল্পের গবেষক অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং এম এম মুসা।
সংবিধান সংস্কারের আলোচনা শুরু হয়েছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর একটি ছিল অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশন।
রাষ্ট্র সংস্কারের গতিপ্রকৃতি নিয়ে বাংলাদেশের জনপরিসরে তর্কবিতর্ক এখনো চলমান। সম্প্রতি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলী রীয়াজের একটি সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়ায় গবেষক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন শিকদার একটি প্রবন্ধে কিছু জরুরি প্রশ্ন তুলেছেন।