
পাগল হাসানের বুকেতে দুঃখ সীমাহীন
পাগল হাসানের জীবদ্দশায় ‘আন্ধাইরপুরীর মানুষ আমি’ গানটা যতটা প্রচার পেয়েছিল, মৃত্যুর পর তা আরও উজ্জ্বল ও বেগবান হয়। বাউলশিল্পীদের কণ্ঠে তো বটেই, ওয়াজ মাহফিলেও ইসলামি বক্তাদের কণ্ঠে এ গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তোলে।

পাগল হাসানের জীবদ্দশায় ‘আন্ধাইরপুরীর মানুষ আমি’ গানটা যতটা প্রচার পেয়েছিল, মৃত্যুর পর তা আরও উজ্জ্বল ও বেগবান হয়। বাউলশিল্পীদের কণ্ঠে তো বটেই, ওয়াজ মাহফিলেও ইসলামি বক্তাদের কণ্ঠে এ গান মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তোলে।

শঙ্করের দর্শন ও কাজ শুধু হিন্দু দর্শনকে নয়, ভারতীয় চিন্তার শিকড়কে বদলে দিয়েছে। উপনিষদের মূল সুর তিনি এমনভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন যে তা আজও আধুনিক দর্শন, মনোবিজ্ঞান, এমনকি কোয়ান্টাম দৃষ্টিভঙ্গির আলোচনায় হাজির হয়। গুরু-শিষ্য পরম্পরা, মঠসংস্কৃতি, বেদান্ত শিক্ষা, সংস্কৃত ব্যাখ্যা-পদ্ধতি—সব জায়গায় তাঁর ছাপ। সংক্ষেপে বললে, মাত্র তিন দশকের জীবনে তিনি করেছেন শতাব্দীর কাজ। তাঁর চিন্তা এখনো সাগ্রহে অধীত হয়।

শুক্রবারের সকালটা ভালো লাগে তাদের। শুধু এদিনটি তাদের কাছে আবছায়া নয়। কোনো তাড়াহুড়ো নেই। আবিষ্ট পুকুর থেকে ফোটা পদ্ম যেন চলে আসে তাদের কাছে।

চলচ্চিত্রে নারীর অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে সব সময়ই জটিল ছিল। চলচ্চিত্রমাধ্যম নারীর শরীর, সৌন্দর্য, যৌনতা এবং আবেগগত শ্রমের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল। দর্শক টানার জন্য চলচ্চিত্র বরাবরই নারীদের ব্যবহার করেছে। অথচ একই সঙ্গে চলচ্চিত্র নিজেদের প্রতিনিধিত্বের ওপর কর্তৃত্ব থেকেও নারীদের বঞ্চিত করেছে।

বিশ শতকের ইতিহাসে খুব কম মানুষই আর্নেস্তো ‘চে’ গুয়েভারার মতো এতটা ভক্তি জাগাতে এবং একই সঙ্গে এতটা বিতর্ক উসকে দিতে পেরেছেন।






উকিল মুন্সীর লেখা ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি তর’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘এসো হে কাঙালের বন্ধু’, ‘ভিখারি দুয়ারে’, ‘কুলমান যৌবন দিলাম বিসর্জন’-এর মতো বিখ্যাত গানগুলো শুধু ভাটি বাংলার সম্পদই নয়, এগুলো এখন সমগ্র বাংলার বিরহভাবের সম্পদ। উকিল মুন্সী ইমামতির পাশাপাশি গান করতেন, কখনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে, কখনো বাদ্যযন্ত্র ছাড়া, তিনি মাঝেমধ্যে পালাগানের আসরেও যোগ দিতেন।

গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।