জুলাই সনদে এমন কিছু বলা হয়নি, যেগুলো নাগরিক অধিকারকে সংকুচিত করবে: আলী রীয়াজ
আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্রপতির হাতে দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা, ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা আছে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই আছে। কিন্তু আমাদের দেশে এটার ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে।
আলী রীয়াজ বলেন, রাষ্ট্রপতির হাতে দণ্ড মওকুফের ক্ষমতা, ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতা আছে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই আছে। কিন্তু আমাদের দেশে এটার ব্যাপক অপব্যবহার হয়েছে।
বাংলাদেশ এখন গণমাধ্যম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। প্রস্তাবিত সম্প্রচার অধ্যাদেশ ২০২৬ এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৬ সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রায় শেষ হয়ে এল। প্রায় দেড় বছরের শাসন শেষ হওয়ার পর এখন তাদের কিছু প্রাথমিক মূল্যায়ন করা যেতে পারে। গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আসন্ন গণভোটে জনগণ যেন ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদান করে, সে জন্য অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ের সর্বত্র ইতিমধ্যে প্রচারণা শুরু করেছে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী করতে ‘হ্যাঁ-তে ভোট দিন নিরাপদ বাংলাদেশ বুঝে নিন’ স্লোগানে মাসব্যাপী ঘোষণা করেছে ডাকসু।
কূটনীতিকদের সঙ্গে সংলাপে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার বাস্তবায়নে রাস্তায় যাওয়া তাদের শেষ অপশন। সরকারি দল সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের দাবি জানান। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশা প্রকাশ করলেন নাহিদ।
সংবিধান সংস্কারের আলোচনা শুরু হয়েছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এর একটি ছিল অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বাধীন সংবিধান সংস্কার কমিশন।
দুই বছর আগে ৮ আগস্ট শপথ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জুলাই অভ্যুত্থান–পরবর্তী সময়ে অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার।
প্রবৃদ্ধি ঘোষণা করে, ঋণ নিয়ে বা বাজেট করে অর্জন করা যায় না। এটি বিশ্বাসযোগ্যতা, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়। সংস্কার ছাড়া প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন সেলিম রায়হান
সংস্কার পরিষদ গঠন ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সংসদ-রাজপথে চাপ বাড়ানোর পরিকল্পনা বিরোধী দলের।
জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আলোচনা সভায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে সংস্কার বাস্তবায়নের দাবির কথা তুলে ধরেন।
১১–দলীয় ঐক্যের আয়োজনে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় সেমিনারে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের বক্তব্য এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে আখতার হোসেনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।