‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ ছাড়া ইরানের সঙ্গে চুক্তি নয়: কী এক বিস্ময় উপহার দিলেন ট্রাম্প
মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
মাত্র ১৫ সপ্তাহ আগে সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী ঘোষণা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ ছাড়া ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।’
ওয়াশিংটনের এই কৌশলের বিরূপ প্রভাব কেবল আঞ্চলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তির আওতায় ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে কি না, তা নির্ভর করবে দেশটি তার প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ করছে তার ওপর।
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘায়িত সামরিক সংঘাতের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। এ পর্যন্ত মোট ব্যয় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। একই সঙ্গে অতিরিক্ত সামরিক বাজেট অনুমোদনের জন্য কংগ্রেসের কাছে জরুরি আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। অবশ্য এ নিয়ে রিপাব
জর্ডানসহ মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ধারাবাহিক হামলায় কয়েক ডজন সেনা আহত হওয়া এবং সামরিক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য গোপন রাখছে পেন্টাগন। সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। সামরিক অভিযানের স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে নাম না প্রকাশের শর্তে
গ্রুপ পর্বে ইরানের তিনটি ম্যাচই হবে যুক্তরাষ্ট্রে। নিউজিল্যান্ড (১৫ জুন) ও বেলজিয়ামের (২১ জুন) বিপক্ষে ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেস, ২৬ জুন মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ সিয়াটলে।
সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের উত্তরাধিকার প্রশ্নেও লারিজানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। মোজতবা খামেনিকে ক্ষমতায় আনার সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছিলেন লারিজানি ও সাবেক প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ করতে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ তৃতীয় মাস পেরিয়ে চতুর্থ মাসে প্রবেশ করতে চলেছে। এই দীর্ঘায়িত সংঘাতকে ঘিরে এখন আবারও ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান ও ইরাকের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের ব্যর্থ যুদ্ধগুলোর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সামরিকভাবে দুর্বল না করে নৈতিক ও প্রতীকী বয়ানকে শক্তিশালী করছে। শিয়া ধর্মতত্ত্বের শাহাদাত ও আত্মত্যাগের ধারণা এই রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখছে। বিদেশি আগ্রাসন অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ঢেকে রাষ্ট্রকে জাতীয় রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করার সুযোগ দিচ্ছে।