ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানে কি আসলেই হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
ইরানি বাহিনী একই দিনে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান—এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল এবং এ-১০ ওয়ারথগ—ভূপাতিত করেছে। ইরানের ‘মজিদ’ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ব্যবহার করে অপটিক্যাল ও ইনফ্রারেড সেন্সর দিয়ে এই আঘাত হানা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ইতিহাসে এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল।
যুদ্ধের মধ্যেই জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে কয়েক শ কোটি ডলার অতিরিক্ত আয় করছে ইরান।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি–সংকট সমাধানে সরকার কাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল কমান্ড স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বড় অংশ ব্যবহার শেষ করেছে বলে তিনটি সূত্র জানিয়েছে।
হোদেইদাহ বন্দর দিয়েই হুতি-নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনে বেশির ভাগ পণ্য প্রবেশ করে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর গত সপ্তাহান্তে ইরানের হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পুনরায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সমঝোতা স্মারক ভেঙে পড়ার পর দুই দেশের সামরিক সংঘাত এবং এর পেছনের কৌশলগত কারণগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত তীব্র হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পূর্ণ হলো। দেশটির প্রতিষ্ঠাতারা এমন এক প্রজাতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যা বিশ্ববাসীর ওপর আধিপত্য কায়েম করবে না, বরং ‘মানবজাতির মতামতের প্রতি যথাযথ সম্মান’ দেখাবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বিরুদ্ধে শিশুহত্যার বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি।