ওয়াশ খাতে বরাদ্দ বাড়লেও সুবিধা বণ্টনের বৈষম্য প্রকট, গ্রামাঞ্চলে বরাদ্দ কম এবং বাজেটের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ।
বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পৌঁছানোয় বৈষম্য রয়েছে।
বরাদ্দ বাড়লেও এর সুফল সবচেয়ে বঞ্চিত ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পৌঁছানোয় বৈষম্য রয়েছে।
‘ঠা ঠা বরিন্দ’—রুক্ষ ও শুষ্ক বরেন্দ্র অঞ্চলের এই পরিচিতি সবচেয়ে বেশি মিলে যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার সঙ্গে।
বীরবালা ত্রিপুরা বলেন, প্রতিদিন তিন থেকে চারবার তাঁকে পানির জন্য যেতে হয়। পাহাড়ি পথ বেয়ে যাওয়া-আসা করতে করতে দিনের অনেকটা সময়ই চলে যায়।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরের আলো ফুটতেই কলসি হাতে বাড়ি থেকে বের হন নয়ানী গ্রামের বাসিন্দা মঞ্জুয়ারা খাতুন। প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরের এই পুকুরই তাঁর পরিবারের একমাত্র পানির উৎস।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাটির গভীরে বিশাল সুপেয় পানির ভান্ডার খুঁজে পাওয়া গেছে।
বৃষ্টির পানি ধরে রাখা, দূরের পুকুর থেকে পানি বয়ে আনা কিংবা অনিরাপদ পানি ফুটিয়ে খাওয়াই ছিল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বহু পরিবারের বাস্তবতা। নতুন উদ্যোগে নদী ও খালের পানি পরিশোধন করে নারীদের নেতৃত্বে তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে প্রায় আড়াই হাজার পরিবারের কাছে।
দেহকোষের অন্যতম উপাদান পানি। কোষের গঠন, গড়ন এবং কাজ ঠিকঠাক রাখতে চাই পানি। তাই গরমে রোজ পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে, নইলে পানিশূন্যতায় বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
বন্যার পানি নেমেছে বেশ কিছুদিন আগে। কিন্তু চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কাঁথারিয়া ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের কৃষক আবুল খায়েরের (৬৫) ঘর থেকে বন্যার চিহ্ন এখনো মুছে যায়নি। টিনের দেয়ালে লেগে আছে পানির দাগ। নষ্ট হয়েছে ঘরের আসবাব, ধান ও চাল। পানি সরে যাওয়ার পর নতুন করে সংসার গোছানোর চেষ্টা করছেন তিনি।
ফয়’স লেক, খুলশী ও আশপাশের পাহাড়ঘেরা এলাকায় গত কয়েক সপ্তাহে ২৫ জন বাসিন্দার সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রায় সবার অভিযোগ একই। সংযোগ আছে, কিন্তু পানি নেই। কেউ সপ্তাহে এক দিন পানি পান। কেউ মাসে এক দিনও পান না।
‘পানি হু হু করে ঢুকেছে। ১০ মিনিটের মধ্যে বুকসমান পানি হয়ে যায় দোকানে। কিছুই বের করতে পারিনি। আমি পথে বসে গেলাম।’ কথাগুলো বলতে বলতে থেমে যান তানভির আহমেদ। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে তাঁর ‘আয়াত সার্জিক্যাল’ নামের ওষুধের দোকানটি এখন পানির নিচে। তাঁর ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি।
১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (পাউবো) প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। ইংরেজিতে ‘ইপিওয়াপদা’।
উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ৫টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে সড়ক ও ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।