আমার ভীষণ রকম কান্না পাচ্ছিল...
প্রদর্শনী দেখতে এসে চয়নিকা চৌধুরী জানালেন, এই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছে—এ শুধু একটি ভবনের ক্ষতি নয়, গণমাধ্যম ও দেশের প্রতি আঘাতের এক গভীর প্রতীক।
প্রদর্শনী দেখতে এসে চয়নিকা চৌধুরী জানালেন, এই ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর মনে হয়েছে—এ শুধু একটি ভবনের ক্ষতি নয়, গণমাধ্যম ও দেশের প্রতি আঘাতের এক গভীর প্রতীক।
গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে প্রতিহিংসায় উন্মত্ত একদল উগ্রবাদী এসে হামলা করে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেশের প্রধান গণমাধ্যম প্রথম আলো ভবনে। তারা ভবনটির শাটার ও বড় বড় কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। লুটপাট চালায়। আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে যেভাবে তড়িঘড়ি করে জাতীয় গণমাধ্যম ও সম্প্রচার কমিশনের অধ্যাদেশ প্রকাশ করা হয়েছে, এর প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য নিয়েই বড় প্রশ্নের জন্ম দেয়।
গানের সুর, কবিতার ছন্দ ও দৃপ্ত কথামালায় আবহমান বাংলার সংস্কৃতি, গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানানো হলো গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবন মিলনায়তনে।
দঙ্গলবাজিকে উৎসাহিত করা হলে, পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তার আর অবকাশ থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ।
পর্যবেক্ষক দলটিতে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার ও নির্বাচনব্যবস্থাপনা–বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা অন্তর্ভুক্ত থাকছেন।
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ বলেছেন, কমিশন প্রতিবেদন দেওয়ার পর বাংলাদেশের যতজন সাংবাদিক যত জায়গায় লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন, আক্রমণের শিকার হয়েছেন, তার সম্পূর্ণ দায়দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মতো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত জরুরি খাতকে মাফিয়া বা লুটেরা ব্যবসায়ীদের মুনাফা লোটার হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন এ কথা জানান।
শেখ হাসিনা নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
গণভবন থেকে উদ্ধার করা গোপন নথিতে জানা গেছে, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিশ্ব গণমাধ্যমের সঙ্গে তথ্যের সমন্বয় করতেন আরিফুল ইসলাম আদীব।
এরপরও কীভাবে শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেখানে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন, তা বিস্ময় তৈরি করেছে। ভারত সরকারের সম্মতি ছাড়া এটি কীভাবে সম্ভব?
নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় ভারত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ কেন দিল—এটি আমাদের প্রশ্ন।’