
ইটনের দৃষ্টিতে বাংলায় ইসলামের বিস্তার
গ্রন্থটির নামকরণে ইসলাম ধর্মের বিস্তারের কথা থাকলেও একই সময়েই—অর্থাৎ ওই মোগল আমলেই—পূর্ববঙ্গে হিন্দুধর্মেরও বিস্তার ঘটেছে।

গ্রন্থটির নামকরণে ইসলাম ধর্মের বিস্তারের কথা থাকলেও একই সময়েই—অর্থাৎ ওই মোগল আমলেই—পূর্ববঙ্গে হিন্দুধর্মেরও বিস্তার ঘটেছে।

শেখ ইজ্জুদ্দিন আল–কাসসামের সহযোদ্ধা রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেন। তাঁর শাহাদত ফিলিস্তিনের মহান বিপ্লবের আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছিল।

ইতিহাসের পাতায় ১৯ রমজান। একদিকে এই দিনে আন্দালুসের (স্পেন) বিজয়ের দ্বার উন্মোচিত হয়, তেমনি কয়েক শতাব্দী পর একই দিনে পতনের ঘণ্টা বাজে।

১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।

এই দিনে ইসলামের প্রথম বড় যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারিত হয় পানির কূপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাধ্যমে। এই দিনেই হজরত আয়েশা (রা.) দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।

দুঃসময় জীবনের কোনো বিচ্ছিন্ন অংশ নয়; বরং এটি ইমানের পরিমাপক এবং আত্মশুদ্ধির সুযোগ। বিপদের মাধ্যমে আল্লাহ দেখেন, কে তাঁর দিকে ফেরে, আর কে বিমুখ হয়।

১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।

এই দিনে একদিকে সিসিলির উপকূলে মুসলিম নৌবাহিনীর নোঙর ফেলে, অন্যদিকে বৃহত্তম মুসলিম প্রধান দেশ ইন্দোনেশিয়া অর্জন করেছিল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা।

এই দিনে মদিনা রাষ্ট্র রোমানদের হুমকির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল, অন্যদিকে সজাগ হয়েছে আন্দালুসের সীমান্ত এবং যাত্রা শুরু করেছে সেলজুক সাম্রাজ্য।

এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।

৪ রমজান এক কৌশলগত মোড় পরিবর্তনের দিন। এই দিনে একদিকে মদিনার ইসলামের প্রথম সামরিক পতাকা উড্ডীন হয়, অন্যদিকে ১৭০ বছরের ক্রুসেড দখলদারির অবসান ঘটে।

৩ রমজান দিনটি বেশ বৈচিত্র্যময়। একদিকে এই দিনে ইসলামের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রামের যাত্রা শুরু হয়, অন্যদিকে এই দিনেই পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছিলেন মহানবীর কন্যা ফাতিমা (রা.)।