সাত কারণে ইরান যুদ্ধে জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সহজে যুদ্ধ জয়ের ঘোষণা দিতে পারছেন না।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরু হওয়ার দুই সপ্তাহ হলো। যুদ্ধের এই ডামাডোলে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের আভাস মিলছে।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
ইরান ভূমি এবং জাহাজ লক্ষ্য করে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে সক্ষম।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতকে ৩০ দিনের শুল্কছাড় দিয়েছে।
দুবাই উপকূলে ইরান কুয়েতি তেল ট্যাঙ্কার আল-সালমিতে হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি না খোলায় ইরানের তেলকূপ ও এনার্জি প্ল্যান্ট ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়াচ্ছে।
ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত নয়টি উড়োজাহাজ ভূপাতিত বা ধ্বংস হয়েছে। বিবিসির তালিকায় ৫ এপ্রিল থেকে ২ মার্চের মধ্যে এফ–১৫ই, ই-৩ সেন্ট্রি, কেসি-১৩৫সহ বিভিন্ন ধরনের বিমানের ঘটনা উল্লেখ আছে। ছবি বিশ্লেষণ ও মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইরান যুদ্ধে কোনো পক্ষের জয় নেই, সবাই হেরে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল থেকে শুরু করে ইউরোপ, চীন, ভারত ও বাংলাদেশ—সবার অর্থনৈতিক, সামরিক ও পরিবেশগত ক্ষতি হচ্ছে। এই ‘উলঙ্গ রাজা’ যুদ্ধে শেষে কেউ জয়ী থাকবে না।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বৈঠকের ভেন্যুর জন্য পাকিস্তান ইসলামাবাদের নাম প্রস্তাব করেছে বলে জানা গেছে।
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য অগ্রাধিকার সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি বজায় রেখে আঘাত সহ্য করা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া।
কট্টরপন্থীরা প্রতিশোধমূলক অবস্থান নিতে চাইতে পারেন, যদিও তার বাস্তবসম্মত কোনো লক্ষ্য নেই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ভালো বন্ধু’ এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করার পর ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে।