টিমওয়ার্ক: নবী মুসা ও হারুনের যুগলবন্দী জীবন থেকে শিক্ষা
নবী মুসা কিন্তু তাঁর ভাই হারুনকে তুচ্ছ মনে করেননি; বরং তাঁকে নিজের শক্তির উৎস হিসেবে দেখেছেন। একটি শক্তিশালী টিমে সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না।
নবী মুসা কিন্তু তাঁর ভাই হারুনকে তুচ্ছ মনে করেননি; বরং তাঁকে নিজের শক্তির উৎস হিসেবে দেখেছেন। একটি শক্তিশালী টিমে সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না।
ব্যায়ামহীন জীবনে রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমিয়েও সকালে অবসাদ কাজ করে। ফলে ফজরে ওঠা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি নামাজ শেষ করে বিছানায় ফেরার তাগিদ কাজ করে।
ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
একটি সাত-আট বছরের শিশু যখন প্রশ্ন করে, “মা, আল্লাহ কোথায়? আমি কেন তাঁকে দেখতে পাই না?”—তখন অনেক অভিভাবকই কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।
বর্তমান বিশ্বে একদিকে যখন লাখো মানুষ খাদ্যের অভাবে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে তখন উদ্বৃত্ত খাদ্যদ্রব্য বাজারে দাম ধরে রাখা অজুহাতে নষ্ট করে ফেলা হচ্ছে।
সাহাবিদের জীবন বিশ্লেষণ করলে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য নজর কাড়ে, তা হলো—তাঁদের অপ্রতিরোধ্য জ্ঞানপিপাসা ও সত্য অনুসন্ধানের আকুলতা। তাই তাঁরা প্রচুর প্রশ্ন করতেন।
অনেকে নিজের চরিত্র, যোগ্যতা কিংবা কর্মস্পৃহা বাড়াতে আগ্রহী নন, কিন্তু তাঁর পরিবার কতটা সম্ভ্রান্ত ছিল কিংবা পূর্বপুরুষের সমাজে কী প্রতিপত্তি ছিল—তার গর্বের শেষ নেই।
আব্বাসীয় আমলে বাগদাদে কাগজ তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রকাশনাশিল্প দ্রুত বিস্তার লাভ করে। আজকের প্রকাশকদের পূর্বসূরি ছিল এই ওয়াররাক সম্প্রদায়।
তাবুক যুদ্ধে অনুপস্থিত তিন সাহাবির তওবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তারা কোনো অজুহাত না দিয়ে সত্য স্বীকার করেন এবং ৫০ দিনের বয়কটের পর আল্লাহ তওবা কবুল করেন। এ ঘটনা থেকে সৎকাজে দেরি না করা, সত্যের পথ অনুসরণ ও প্রকৃত অনুশোচনার শিক্ষা পাওয়া যায়।
রাষ্ট্রক্ষমতা অনেকের কাছে সম্মান, প্রভাব কিংবা কর্তৃত্বের প্রতীক। কিন্তু একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত সাফল্য কি ক্ষমতার প্রদর্শনে, নাকি মানুষের কল্যাণে? ইসলামের দৃষ্টিতে নেতৃত্ব ক্ষমতা ভোগের উপায় নয়
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আইনি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, মসজিদ ইসলামের কোনো অবিচ্ছেদ্য অংশ কি না। যেহেতু পুরো পৃথিবীই নামাজের জন্য অবারিত।
প্রতিদিন দীর্ঘসময় ভিন্ন মানসিকতা, ভিন্ন মেজাজ ও বিচিত্র সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। কারো সঙ্গে মতের অমিল হলে মনের ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়।