বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের কূটনৈতিক সমঝোতাগুলোকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে হবে
বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এখন প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে ব্যাপকতর কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক এখন প্রচলিত উন্নয়ন সহযোগিতার সীমা ছাড়িয়ে ব্যাপকতর কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর এবং সফর শেষে যে যৌথ ইশতেহার প্রকাশিত হয়েছে, তাতে স্পষ্ট, এই দুই দেশের সম্পর্ক এখন গুণগতভাবে নতুন স্তরে প্রবেশ করেছে।
ইসরায়েলের অনেকের কাছেই এখন একটা বিষয় অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবেন।
প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া হয়ে চীনে গেছেন। অর্থনৈতিক স্বার্থের বিবেচনায় দুটি দেশই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের অন্যতম উৎস। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর ওপর বর্তমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বাংলাদেশে বড় চাওয়া। আর সহজ শর্তে ঋণ, বিনিয়োগ, অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা বা বাণিজ্য সম্পর্ক—যেকোনো বিবেচনায় চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগী। তবে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি ও কৌশলগত বিবেচনায় সফর দুটির মাত্রাগত পার্থক্য ও ভিন্নতা আছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. গোলাম সাকলায়েন, বাংলাদেশ পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়েও চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে নৈতিকতাবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক জড়িয়েছেন।
পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ৮ জুন দুই দিনের সফরে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। সাত বছর পর এটিই তাঁর প্রথম সফর।
ঢাকার সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছে ওয়াশিংটন।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেন।
কেউ হয়তো খুব মেধাবী, কিন্তু সম্পর্ক সামলাতে পারেন না। আবার কেউ হয়তো জিনিয়াস নন, তবুও সবাই তার পাশে স্বস্তি বোধ করে। এই পার্থক্যের জন্য দায়ী আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের দেওয়া ভাষণে রাষ্ট্র পরিচালনায় নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সিভিল-মিলিটারি সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বসহকারে উপস্থাপিত হয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারত ভিসা কার্যক্রম আবার চালু করতে উদ্যোগ নিয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে।