বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর তিনটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর
কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর, বৈশাখী তেলপাম্প ও শহরের হেলাই গ্রামে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
কালীগঞ্জ শহরের নিশ্চিন্তপুর, বৈশাখী তেলপাম্প ও শহরের হেলাই গ্রামে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষের নেতা-কর্মীরা দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন ও নির্বাচনী প্রচারে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভক্তি নির্বাচনী হিসাব-নিকাশ জটিল করে তুলেছে। বিএনপির সাধারণ নেতা-কর্মীরা কেউ দলীয় প্রার্থী, আবার কেউ বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলছেন, নির্বাচনী প্রচার যখন তুঙ্গে তখন পরাজয় নিশ্চিত জেনে জামায়াত প্রার্থী ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে মাঠ ছাড়ার কৌশল খুঁজছেন।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য–বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।
জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তাহসিনা রুশদীর।
ভোট দিতে চান অধিকাংশ ভোটার। ১০ আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে জামায়াত, একটি উন্মুক্ত। অর্থাৎ ৮ আসনে জামায়াতের দলীয় প্রার্থী রয়েছে।
‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়ে পরদিন থেকে প্রচার শুরু করেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সামিরা আজিম। আট দিনের মাথায় এই সমঝোতায় খুশি বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৯ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
সুনামগঞ্জ–১ আসনে (ধর্মপাশা, তাহিরপুর, জামালগঞ্জ ও মধ্যনগর) প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে বিএনপির দলীয় প্রার্থিতা নিয়ে নাটকীয়তার অবসান হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে বিএনপির তিন প্রার্থীর বিষয়ে পক্ষে–বিপক্ষে করা পৃথক আবেদন সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় রয়েছে।