জ্ঞানতাত্ত্বিক বিপ্লব এবং হারানো মুসলিম ঐতিহ্যের সন্ধিক্ষণ
এই দিনে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় লাইব্রেরির যাত্রা শুরু হয়, আবার আধুনিক ইতিহাসের মহান গবেষক ও সংস্কারকদের বিদায় জ্ঞানজগতকে শোকাতুর করেছে।
এই দিনে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় লাইব্রেরির যাত্রা শুরু হয়, আবার আধুনিক ইতিহাসের মহান গবেষক ও সংস্কারকদের বিদায় জ্ঞানজগতকে শোকাতুর করেছে।
এই দিনে একদিকে যেমন আরবের বুক থেকে প্রাচীন মূর্তিপূজার প্রাতিষ্ঠানিক অবসান ঘটেছিল, তেমনি পতন ঘটেছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম পরাক্রমশালী পারস্য সাম্রাজ্যের।
তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।
শেখ ইজ্জুদ্দিন আল–কাসসামের সহযোদ্ধা রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেন। তাঁর শাহাদত ফিলিস্তিনের মহান বিপ্লবের আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছিল।
২০ রমজান আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়। একই দিনে ব্যাবিলন দুর্গ জয় হয়, সাইপ্রাস জয় হয়।
ইতিহাসের পাতায় ১৯ রমজান। একদিকে এই দিনে আন্দালুসের (স্পেন) বিজয়ের দ্বার উন্মোচিত হয়, তেমনি কয়েক শতাব্দী পর একই দিনে পতনের ঘণ্টা বাজে।
ইতিহাসের এই দিনে (১৮ রমজান) বিদায় নেন মুসলিম সেনাপতি খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.)। একই সময় মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ঘটেছিল বড় বড় পালাবদল।
১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।
এই দিনে ইসলামের প্রথম বড় যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারিত হয় পানির কূপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাধ্যমে। এই দিনেই হজরত আয়েশা (রা.) দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।
১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।
নেপোলিয়ন মোকাত্তাম পাহাড় থেকে আজহার মসজিদের ওপর কামানের গোলা বর্ষণ করেন এবং ফরাসি ঘোড়সওয়ার বাহিনী মসজিদের পবিত্র চত্বরে প্রবেশ করে।
গত ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধের বার্ষিকী নীরবেই পার হয়ে গেল—দিনটি নিয়ে অনুচ্চারিত এই নীরবতার পেছনে লেখক ইতিহাস-শিক্ষা ও রাষ্ট্র-সমাজের প্রশ্নগুলো তুলে ধরেছেন।