মার্কিন হুমকির মুখে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সৌদি যুবরাজকে সতর্ক করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির কড়া সমালোচনা করেন।
সৌদি যুবরাজের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির কড়া সমালোচনা করেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।
ইরানের আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে গুগল, মেটা, অ্যাপলসহ ১৮টির বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়েছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে হামলা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি ইরানের নেতাদের গুপ্তহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ।
ইরান যুদ্ধকালে মধ্যপ্রাচ্যের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ বন্ধ করেছে মার্কিন কোম্পানি প্ল্যানেট ল্যাবস। ট্রাম্প প্রশাসনের অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে প্রতিপক্ষ হামলা না চালাতে পারে। নাসার সাবেক বিজ্ঞানী ২০১০ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন।
ইসরায়েল ও মার্কিন হামলার চাপে ইরান এনপিটি ছাড়ার প্রস্তাব নিয়েছে। পারমাণবিক স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা তীব্রতর হয়েছে। দেশে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন, থমথমে পরিস্থিতি চলছে।
প্রতি চার মার্কিন নাগরিকের একজন মনে করেন, গত এপ্রিলে ট্রাম্পের ওপর হত্যাচেষ্টার ঘটনা সাজানো ছিল। নিউজগার্ডের জরিপে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট হয়েছে, ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে এই বিশ্বাস বেশি। অন্যান্য হামলাগুলো নিয়েও অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রথম ১০০ ঘণ্টাতেই ওয়াশিংটনের আনুমানিক খরচ হয়েছে ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার।
নিউইয়র্ক টাইমস অন্তত ১৭টি ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা ও অন্যান্য অবকাঠামো শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে কয়েকটিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে একাধিকবার হামলা হয়েছে।
কিছুক্ষণ পরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দী করে ভেনেজুয়েলা থেকে আকাশপথে দেশের বাইরে নিয়ে গেছে।
বিষয়টি সত্য কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি (রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ‘ভালো বন্ধু’ এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করার পর ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানো বন্ধ করেছে।
মার্কিন নীতিনির্ধারকদের ধারণা, নতুন করে ভয়াবহ হামলার পর ইরান নমনীয় হতে বাধ্য হবে। পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার টেবিলে আসতে আগ্রহী হবে।