টুনা মাছে বছরে ৩০ কোটি ডলার আয়ের সম্ভাবনা
সেমিনারে বক্তারা জানান, ১০টি মাঝারি আকারের বোটের একটি বহর বা ফ্লিট দিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য আহরণ করলে বছরে ৭৮ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এ জন্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকার প্রাথমিক বিনিয়োগ লাগবে।
সেমিনারে বক্তারা জানান, ১০টি মাঝারি আকারের বোটের একটি বহর বা ফ্লিট দিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে মৎস্য আহরণ করলে বছরে ৭৮ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব। এ জন্য প্রায় ১৫০ কোটি টাকার প্রাথমিক বিনিয়োগ লাগবে।
মানুষের পরিবর্তন করা নদীগুলোর সঙ্গে অবচেতনভাবেই মাছেরা নিজেদের খাপ খাইয়ে নিচ্ছে এবং তাদের বিবর্তনের প্রক্রিয়াও দ্রুত বদলে যাচ্ছে।
ভোলার মনপুরা উপজেলায় বড় আকারের একটি ইলিশ ধরা পড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মৎস্যঘাটে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মাছটির ওজন ২ কেজি ৪০০ গ্রাম। স্থানীয়ভাবে এ ইলিশকে ‘রাজা ইলিশ’ বলা হয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ডোরি ফিশ আমদানির কোনো সাম্প্রতিক রেকর্ড নেই। এতে ভোক্তাদের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।
বেগুন চাক চাক কেটে হলুদ ও লবণ মেখে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। কড়াইয়ে আরও কিছু তেল দিয়ে তাতে সব বাটা মসলা, লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে।
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদীঘি হাওরপারের খইশাউড়া গ্রামের কাছে রোববার বিকেলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। জায়গাটি একেকজনের কাছে একেক নামে পরিচিত।
সালসার সব উপকরণ বাকি অর্ধেক ড্রেসিং দিয়ে মেখে নিন। গ্রিল করা মাছের পাশে সালসা রেখে একসঙ্গে পরিবেশন করুন।
এসএসসি বিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত উত্তর-প্রশ্নে জলজ উদ্ভিদের ভূমিকা, পানির মানদণ্ড, ঘোলা পানির প্রভাব, তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলাফল, ইলিশ মাছের ডিম ছাড়ার কারণ এবং পানিবাহিত রোগের বিস্তার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
কল্যাণপুরের সাজেদুল ইসলামের সপ্তাহের বাজারে খরচ বেড়েছে ২১০ টাকা, মাসিক ৮৫০ টাকা। টিসিবির তথ্যে গত মাসে আটা, তেল, ডাল, পেঁয়াজ, মুরগি, ডিমের দাম বেড়েছে। বিবিএস-এর হিসাবে এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.০৪ শতাংশ।
দক্ষিণাঞ্চলের নদ-নদীতে অবৈধ বিশাল চাঁইয়ে লাখ লাখ পাঙাশের পোনা নিধন হচ্ছে, যা দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধিকে হুমকির মুখে ফেলেছে। সংঘবদ্ধ চক্র এই নিষিদ্ধ শিকার চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও মৎস্য বিভাগ অভিযান চালায়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এটি পাঙাশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
কাপ্তাই হ্রদ একসময় ছিল বড় মাছের অভয়াশ্রম। রুই, কাতলা, মৃগেলের দাপটে এই হ্রদ শুধু উৎপাদনের দিক থেকে নয়, জীববৈচিত্র্যের দিক থেকেও ছিল বেশ সমৃদ্ধ।
গ্রীষ্মের তাপে পুড়ছে কক্সবাজার। প্রখর রোদ আর খরতাপে জনজীবন বিপর্যস্ত হলেও এ জেলার দুটি শিল্পের জন্য এমন আবহাওয়া অনুকূল। এর একটি লবণশিল্প, অন্যটি শুঁটকি। লবণের উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও মাছের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার শুঁটকিপল্লির বেশির ভাগ মহাল।