
ভোটের আগের মাসে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এসেছে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় পাঠিয়েছে।

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এসেছে ৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় পাঠিয়েছে।

জাতীয়করণ থেকে বেসরকারি খাত, এরপর নানা পুনর্গঠন—এমন নানা ধাপ পেরিয়ে এখন দেশের আধুনিক ও শীর্ষ ব্যাংকের একটি পূবালী ব্যাংক।

বাংলাদেশের করপোরেট খাত, বিশেষত ব্যাংক ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের চর্চা থেকে সরে না এলে টেকসই অগ্রগতি সম্ভব নয়।

চলতি মাসেই পরীক্ষামূলকভাবে নতুন এই ব্যবস্থা চালু করছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ। শুরুতে যুক্ত হবে ১৩টি ব্যাংক।

৩০ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাংকটির অনলাইন ব্যাংকিং ও এটিএমসহ ডিজিটাল সেবা বন্ধ থাকবে। আর ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি বন্ধ থাকবে সব শাখা ও উপশাখার নগদ লেনদেন।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ৮৫৯ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, এই খাতে ২২–২৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ রয়েছে। এসব বিনিয়োগ অচল হয়ে গেলে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাবে।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সুশাসনের ব্যর্থতা। সরকার ও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা পরিবারের নির্দেশে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

রপ্তানিমুখী ও স্থানীয় জাহাজনির্মাণ শিল্পের ঋণ পুনঃ তফসিল ও পুনর্গঠনে বিশেষ নীতিমালা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে মাত্র দেড় শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণ নবায়ন করতে পারবেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

২০২৩ সালের নীতিমালা বাতিল করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গতকাল রোববার নতুন নীতিমালা জারি করেছে।

এরই মধ্যে ৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত।