
পশ্চিমবঙ্গের মতুয়ারা কাকে মন দেবে, তীর্থের কাক দুই পক্ষই
ঠাকুরবাড়ির এক পক্ষ ঝুঁকে রয়েছে বিজেপির দিকে। নরেন্দ্র মোদির প্রতি মোহমুক্তি যাঁদের ঘটছে–ঘটছে করেও ঘুচছে না।

ঠাকুরবাড়ির এক পক্ষ ঝুঁকে রয়েছে বিজেপির দিকে। নরেন্দ্র মোদির প্রতি মোহমুক্তি যাঁদের ঘটছে–ঘটছে করেও ঘুচছে না।

ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে উচ্চশিক্ষার কাজে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখন হঠাৎ আবিষ্কার করলাম যে আমাদের পরিবারের চারজনের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হয়ে গেছে। বাবা, আমার দুই ভাই–বোন ও আমার নাম সেই তালিকা থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলা হয়েছে।

হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ বানানোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।হুমায়ুনের বাবরি মসজিদ বানানোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।

পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম বিজেপির কাছে গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্য এগুলো।

জঙ্গলমহল হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গের চার জেলায় জনসভায় অংশ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দ্বীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে দেশটির নতুন হাইকমিশনার হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলের দল টিপরা মোথা বিজেপিকে পরাস্ত করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।

ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে চলতি মাসে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে অসংখ্য মানুষের নাম বাদ পড়েছে, যাঁদের মধ্যে মুসলিমই বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদপত্রটির মূল সংস্থা ‘প্রতিদিন মিডিয়া নেটওয়ার্ক’ জানায়, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা পত্রিকাটি সম্পর্কে সমালোচনামূলক মন্তব্যের পরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হুমায়ুন কবি স্বীকার করেছেন, বিজেপির কাছে এক হাজার কোটি টাকা চাওয়ার ভিডিও সত্য। এতে বিজেপি বিপাকে পড়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ জোরদার করেছেন। মোদি–শাহর দল দিশেহারা।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনী প্রচারে শিলিগুড়িতে নরেন্দ্র মোদি ‘পদ্ম ফোটান, অনুপ্রবেশকারী হটান’ স্লোগান দিয়ে তৃণমূলের সমালোচনা করেন। আসানসোলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর নিয়ে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। যোগী আদিত্যনাথ ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সভায় অংশ নেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে শনিবার তিনজন নেতা তিনটি করে জনসভা করেন। নরেন্দ্র মোদি অনুপ্রবেশকারীদের সতর্ক করেন এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে সাড়ম্বরে হুঁশিয়ারি দেন।