এলাকাটিতে কেন শত শত টিয়া পাখি আশ্রয় নিয়েছে
খাগড়াছড়ি শহরের বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয় হয়ে উঠেছে টিয়া পাখির অভয়াশ্রম
খাগড়াছড়ি শহরের বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয় হয়ে উঠেছে টিয়া পাখির অভয়াশ্রম
বন্ধের দিনের আগুনে অন্তত ২৬টি দোকান ও ১০টি বসতঘর পুড়ে গেছে। ঘরবাড়ির নানা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সঙ্গে পুড়েছে শিক্ষার্থীদের নতুন বই, খাতা, স্কুলব্যাগও। পুড়ে ছাই হয়েছে ২৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীর স্বপ্ন আর আশা-আকাঙ্ক্ষা। আর আগুনে অনেক দোকানি ও পরিবার প্রায় নিঃস্ব হওয়ার পথে। সামনের দিনগুলো কীভাবে পার করবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দুশ্চিন্তা ও অনিশ্চয়তা।
রাঙামাটির অর্ধশত এনসিপি নেতার বিএনপিতে যোগদান
চট্টগ্রামে ‘পাহাড়ে জুলাই: সমমর্যাদা, সহাবস্থান ও সম্প্রীতি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে সমতলের একজনকে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নাহিদ ইসলাম।
পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন আন্দোলনের পক্ষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ম্রো জনগোষ্ঠীর গো হত্যা উৎসবের উৎপত্তি নিয়ে একটি মিথ প্রচলিত আছে।
আজ বুধবার জেএসএসের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে এই প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত হয়। এই বিপর্যয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রতি বর্ষায় একই অঞ্চলে বন্যা ও পাহাড়ধস আর শুষ্ক মৌসুমে তীব্র পানিসংকট দেখা দিচ্ছে। মৌসুমভেদে এই দুই বিপরীত বাস্তবতা একই পরিবেশগত সংকটের ভিন্ন প্রকাশ।
খাগড়াছড়িতে ‘বৈসাবি’ উৎসব নিয়ে শোভাযাত্রা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বাস। ১২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক শুরু হলেও এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্তুতি চলছে। বিপণিতে কাপড়-পোশাকের কেনাকাটায় হিড়িক, দাম বেড়েছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করছেন।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ফলাফলে তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান শীর্ষে থাকলেও সামগ্রিক পাসের হার এবং স্কুল পর্যায়ের অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হার নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে গত এক দশকে মারা গেছে অন্তত ১২৬টি হাতি। এর মধ্যে ২৪টি হাতির মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যুতিক শকে। গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ৯টিকে। মাইন বিস্ফোরণে মারা গেছে দুটি। অবৈধ শিকারে মারা গেছে আরও দুটি। বাকি হাতিগুলো মারা গেছে অসুস্থতা, খাদ্যসংকট, দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। মন্ত্রিসভা গঠনের সময় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।