ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র–সক্ষমতা ধ্বংসের দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র, তাহলে তারা এখনো কীভাবে হামলা চালাচ্ছে
হোয়াইট হাউস গত শনিবার বলেছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র–সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে।
হোয়াইট হাউস গত শনিবার বলেছে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র–সক্ষমতা কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন তাঁর এই দাবিকে সমর্থন করে না।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অভিযানে একটি কর্মবণ্টন থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
ইরানের সাইবার হামলায় ইসরায়েলি নাগরিকদের ফোনে স্পাইওয়্যার ঢোকানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়। এআই-চালিত ডিপফেক ও হাজার হাজার আক্রমণ চলছে যুদ্ধের ছায়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সাইবার যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ অধ্যায়।
মোজতবা খামেনির সব নির্দেশনা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে পাঠ করে শোনানো হয়।
ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে ইরানের জনগণকে অস্ত্রে হাতে তোলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারকে সই করে।
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ফের অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাব এল–মান্দেব প্রণালিতে হুতিদের হামলায় চার নাবিক নিহত এবং ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি খুলবে না বলে ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তার বক্তব্যসহ নতুন কূটনৈতিক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
চলমান এই সংঘাতের ময়দানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয় দেশই এফ-৩৫ ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের একেকটির নির্মাণে ব্যয় হয় ১০ কোটি ডলারের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক অভিযান চীনের জন্য আরেকটি কৌশলগত সুবিধা তৈরি করতে পারে। ইরানে নতুন করে আক্রমণ চালাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—উভয়ের অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরাবে।
ইয়েমেনে তাঁদের নিয়ন্ত্রিত একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরব হামলা চালিয়েছে—এমন অভিযোগ এনে দেশটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন হুতি বিদ্রোহীরা।