ইরান বিশ্বকাপে খেলবে কি না, জানেন না ফেডারেশন সভাপতি
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে পারবে কি না, এ মুহূর্তে তা তিনি জানেন না।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে পারবে কি না, এ মুহূর্তে তা তিনি জানেন না।
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতকে ৩০ দিনের শুল্কছাড় দিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে টানা পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধে ইসরায়েল কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বলে দেশের অভ্যন্তরে ক্ষোভ বাড়ছে। ইনবার বেজিক বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়নি, হুমকি বহাল আছে। রাম বেন-বারাক ও ইয়োসি শাইন নেতানিয়াহুর নীতিকে যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’
ইরান যুদ্ধের ফলে জ্বালানিসংকটে পড়া ইউরোপ চীনের কৌশল অনুসরণ করে অরাজক বিশ্বে নিজস্ব শক্তিতে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। চীনের আগাম প্রস্তুতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণ ইউরোপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুল্ক ও বাণিজ্য অস্ত্র ব্যবহার করে ইউরোপ নিজেদের সুরক্ষা করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব দ্রুত’ ইরান থেকে সরে আসবে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরে ‘স্পট হিট’ দেবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ন্যাটোর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করছেন। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংসের পর সরকার পরিবর্তন ও চুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন তিনি।
ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের হামলা স্থগিতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাকে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ বলেছেন, যখন ইরান তাদের ১০ দফা প্রস্তাব গ্রহণ করানোর কৃতিত্ব নিয়েছে। ‘আমরা ৩৮ দিনের মধ্যে আমাদের মূল সামরিক লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি।’
ওমান উপসাগরে ইরান তেল ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র দাবি দুই জাহাজ অচল করেছে। হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলায় যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে। কাতার-পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি প্রচেষ্টা চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় আবারও চাপে বৈশ্বিক তেলবাজার। হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহঝুঁকি বেড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী।
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের জন্য অগ্রাধিকার সামরিক ও রাজনৈতিক সংহতি বজায় রেখে আঘাত সহ্য করা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া।
কট্টরপন্থীরা প্রতিশোধমূলক অবস্থান নিতে চাইতে পারেন, যদিও তার বাস্তবসম্মত কোনো লক্ষ্য নেই।